সূত্রের খবর, সম্প্রতি গত ১৯ জানুয়ারি কোচিতে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির মহা পঞ্চায়েতে রাহুল গান্ধির উপস্থিতিতে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতেই সিনিয়র এই কংগ্রেস নেতা ক্ষুব্ধ৷ তাঁর রাগ মূলত বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধির উপরেই বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর৷
থারুরের ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, সেদিন ওই অনুষ্ঠানের মঞ্চে তাঁর জন্য যে আসন বরাদ্দ করা হয়েছিল, তাতেই ক্ষুব্ধ হন কেরলের সিনিয়র কংগ্রেস নেতা৷ দলের রীতি ভঙ্গ করে সেদিন মঞ্চে নেতাদের বসার আসন বরাদ্দ করা হয় বলে অভিযোগ৷
advertisement
অভিযোগ, কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও মঞ্চের একেবারে পিছন দিকে শশী থারুরের জন্য আসন বরাদ্দ করা হয়৷ ওই সূত্রের আরও দাবি, আগে থেকেই অন্যান্য নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই সভায় রাহুল গান্ধিই একমাত্র দীর্ঘ বক্তব্য রাখবেন৷ তাই অন্যান্য নেতাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল৷
থারুরের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, দলের নির্দেশ অনুযায়ীই নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য তৈরি করে নিয়ে যান থারুর৷ কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধির ভাষণের পরেও দলের আরও অনেক নেতাই ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন৷ তাতেই আরও চটেন থারুর৷
তার উপরে সেদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধি দলের অনেক নেতার নাম নিলেও শশী থারুরের নাম উচ্চারণ করেননি৷ দলের শীর্ষ নেতার এই আচরণেও অসন্তুষ্ট হন থারুর৷
তবে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে কোনও ভাবেই শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং দলের অভ্যন্তরীণ কোনও বিষয় কেউ প্রকাশ্যে নিয়ে এলে বরদাস্ত করা হবে না৷ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে রাহুল গান্ধি, কে সি বেণুগোপাল, ভূপেশ বাঘেল, অম্বিকা সোনিদের মতো সিনিয়র নেতাদের নিয়ে হওয়া বৈঠকের পরই এই বার্তা দেওয়া হয়৷ কে সি বেণুগোপাল পরে সাংবাদিকদের জানান, দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে অথবা সমাজমাধ্যমে কোনও বক্তব্য না রেখে দলের মধ্যেই বিষয়গুলি জানানোর জন্য দলীয় নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷
