প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বলেন, ‘আমাদের সংবিধান ন্যায়, আশা, অভিব্যক্তি এবং আকাঙ্খার সেই জ্যোতি যা প্রত্যেক ভারতীয়ের বুকের ভিতরে জ্বলছে৷ এই জ্যোতি প্রত্যেক ভারতীয়কে ন্যায় পাওয়ার, নিজের অধিকারের পক্ষে সওয়াল করার জোর দেয়৷ এই সংবিধান প্রত্যেক দেশবাসীকেও সরকার তৈরি করার এবং ফেলে দেওয়ার অধিকার দিয়েছে৷ এই জ্যোতি প্রত্যেক ভারতীয়কে ভরসা দিয়েছে যে দেশের সম্পত্তি, প্রতিষ্ঠানে তাঁর অধিকার রয়েছে৷ দেশ তৈরিতে তাঁরও অবদান রয়েছে৷’
advertisement
আরও পড়ুন: পুলিশের জালে ‘পুষ্পা’, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা অল্লু অর্জুনকে গ্রেফতার
সংবিধানও বদলে দিতে মোদি সরকার, অভিযোগ প্রিয়াঙ্কার
ওয়েনাডের সাংসদ দাবি করেছেন, লোকসভা নির্বাচনের ফল যদি অন্যরকম না হত তাহলে এতদিনে সংবিধান বদলের কাজও শুরু করে দিতে কেন্দ্রীয় সরকার৷ প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমাদের সংবিধান ন্যায়, সুরক্ষা, একতার কবচ৷ মত প্রকাশের স্বাধীনতার কবচ৷ দুঃখের বিষয় হল আমাদের ক্ষমতাসীন দলের নেতারা দশ বছরে এই সুরক্ষা কবচকে ভাঙার সবরকম চেষ্টা করেছেন৷ সংবিধানে স্বামাজিক, আর্থিক এবং রাজনৈতিক ন্যায়ের ভরসা দেওয়া রয়েছে৷ সংবিধানে উল্লেখ করা এই সুরক্ষার আশ্বাসই জনতার কবচ৷ লোকসভায় এরকম ফল না হলে এরা সংবিধান বদলের কাজও শুরু করে দিত৷ আজকে এরা সংবিধান সংবিধান করে চিৎকার করছে কারণ এরা বুঝতে পেরেছে যে দেশের মানুষই সংবিধানকে সুরক্ষিত রাখবেন, সংবিধানকে বদল হতে দেবে না৷’
বক্তব্যের শেষ দিকে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘এই দেশ ভয় নয়, সাহস এবং সংঘর্ষ দিয়ে তৈরি হয়েছে৷ সংবিধান এদের সাহস জোগায়৷ দেশের কোটি কোটি মানুষ যাঁরা প্রতিদিন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, তাঁদের সাহস দেয় এই সংবিধান৷ ওয়েনাডের প্রাকৃতি ভয়েরও সীমা থাকে, সেই সীমা পেরিয়ে গেলে মানুষের মধ্যে এমন শ এই দেশ কাপুরুষদের হাতে বেশি দিন থাকবে না৷ এই দেশ উঠে দাঁড়াবে, লড়াই করবে৷ সত্যের দাবি জানাবে৷’
