দুইটি এলসিএইচ নিয়ে গঠিত ফর্মেশনে এই বিশেষ sortie সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় হেলিকপ্টারটি চালান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। উড়ান শেষে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে জানানো হয়, দেশের সাহসী বিমানযোদ্ধাদের নিয়ে তিনি অত্যন্ত গর্বিত। রাষ্ট্রপতি বলেন, এলসিএইচ ‘প্রচণ্ড’ আত্মনির্ভর ভারতের এক শক্তিশালী প্রতীক।
রাষ্ট্রপতির আকাশযাত্রার অভিজ্ঞতা
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক এয়ার প্ল্যাটফর্মে উড়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে—
advertisement
সুখোই সু-৩০ এমকেআই ফাইটার জেট
রাফাল ফাইটার জেট
বায়ুসেনার পরিবহন ও বিশেষ মিশনের বিমান
আর আজ সর্বশেষ সংযোজন, দেশীয় আক্রমণ হেলিকপ্টার এলসিএইচ ‘প্রচণ্ড’
এই উড়ানগুলো কেবল প্রতীকী নয়, বরং দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রতি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ থেকে আস্থার বার্তা বহন করে।
এলসিএইচ ‘প্রচণ্ড’ :
এলসিএইচ ‘প্রচণ্ড’ তৈরি করেছে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)। এটি একটি সম্পূর্ণ দেশীয়, দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট আক্রমণ হেলিকপ্টার। উচ্চতা ও চরম তাপমাত্রার মতো প্রতিকূল পরিবেশে অপারেশনের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
এই হেলিকপ্টারের মূল কাজের মধ্যে রয়েছে শত্রু ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস, নিকটবর্তী আকাশ সমর্থন, সশস্ত্র নজরদারি এবং এসকর্ট মিশন। আধুনিক সেন্সর, উন্নত অ্যাভিওনিক্স ও শক্তিশালী অস্ত্রবহন ক্ষমতার জন্য এলসিএইচ ‘প্রচণ্ড’ বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনা-র আক্রমণ সক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভরসা।
রাষ্ট্রপতির এই উড়ান এবং বায়ুসেনার মহড়া– দুটিই মিলিয়ে দেশীয় প্রতিরক্ষা শক্তি, আত্মনির্ভরতা এবং ভবিষ্যৎ যুদ্ধ প্রস্তুতির স্পষ্ট বার্তা দিল। এই সফরের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি দৃঢ় আস্থা ও সমর্থনের বার্তা দেওয়া হলো। একই সঙ্গে দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও আধুনিকীকরণের পথে ভারতের অগ্রগতিও আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।
