নিহত তরুণীর ভাই, পেশায় পুলিশ কনস্টেবল নিখিল জানান যেদিন তাঁর উপর হামলা হয় সেদিন তিনি তাঁকে ফোন করেছিলেন। তিনি বলেন, যখন তিনি তাঁর দিদির সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন, তখনই অঙ্কুর ডাম্বেল দিয়ে মারতে শুরু করেন কাজলকে। কয়েক মিনিট পর, অঙ্কুর ফোনে তাঁকেও সরাসরি আক্রমণের কথা জানান। তাঁর আরও অভিযোগ, পণ ও যৌতুকের দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে নিগৃহীতা হতেন কাজল। এই হত্যাকাণ্ডে অঙ্কুরের বিরুদ্ধে একটি খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে, এবং তাঁকে গ্রেফতার করে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
advertisement
প্রসঙ্গত কাজল চৌধুরি ২০২২ সালে দিল্লি পুলিশে নিযুক্ত হন এবং বর্তমানে সোয়াট কম্যান্ডো বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। জানা গিয়েছে, তিনি ২০২৩ সালে অঙ্কুরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন৷ তাঁদের দেড় বছরের একটি ছেলে রয়েছে। মৃত্যুর সময় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন কম্যান্ডো কাজল৷
