প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বজুড়েই জ্বালানি নিয়ে তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা৷ সরবরাহ ব্যবস্থাকে বৈচিত্র্যময় করতে ভারত এখন ৪১টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করা হয়। হরমুজ অঞ্চলের পরিস্থিতির কারণে সমুদ্রপথে পরিবহন ব্যবস্থার ওপর সরকার নিবিড়ভাবে নজর রাখছে বলেও তিনি জানান।
advertisement
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বেশ কয়েকটি ভারতীয় জাহাজ এখন নিরাপদে পৌঁছে গেছে। পাশাপাশি, বর্তমানে ভারতের কাছে ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন কৌশলগত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাঙ্কারগুলোর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন সৃষ্টি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়৷ এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারতীয় জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”
আরও পড়ুন: ক্রমাগত গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জের, ভাড়া বাড়ল অটোর! কোন রুটে, কত টাকা ভাড়ল?
প্রধানমন্ত্রী এদিন জানালেন, ‘‘আমাদের উদ্দেশ্য তেল, গ্যাস, ফার্টিলাইজার বাহী জাহাজ সুরক্ষিতভাবে দেশে পৌঁছয়। আমাদের চেষ্টার ফলেই হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা একাধিক জাহাজ ভারতে এসে পৌঁছেছে। ভারতে ইথানলের উৎপাদনে গত এক দশকে অনেক কাজ হয়েছে। যার ফলে ৪.৫ কোটি ব্যারেল আমাদের কম আমদানি করতে হয়। বেলের বৈদ্যুতিনকরণের কারণেও আমাদের দেশে ডিজেলের চাহিদা কমেছে। মেট্রো নেটওয়ার্ক বাড়ানোর, ইলেকট্রনিক মোবিলিটির উপর বেশি জোর দেওয়ার ফলে চাহিদা কমেছে।’’
