সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে সংসদে পাস হওয়া ‘নারী শক্তি অভিনন্দন অধিনিয়ম’-এ প্রস্তাবিত সংশোধনের মূল লক্ষ্য দীর্ঘদিনের অপেক্ষায় থাকা এক-তৃতীয়াংশ নারী সংরক্ষণের বিধান কার্যকর করা।
এই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন) প্রক্রিয়ার সঙ্গে এই সংরক্ষণকে যুক্ত করা। সরকারি কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এর ফলে বর্তমান ৫৪৩টি লোকসভা আসন বেড়ে প্রায় ৮১৬টিতে পৌঁছাতে পারে।
advertisement
এর মধ্যে প্রায় ২৭৩টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হতে পারে, যা আইনে নির্ধারিত এক-তৃতীয়াংশ কোটা অনুযায়ী।
সূত্রের খবর, চলতি সংসদ অধিবেশনেই সংশোধিত বিল আনার বিষয়ে আগ্রহী সরকার এবং ইতিমধ্যেই বিরোধী দলগুলির সঙ্গে ঐকমত্য গড়ে তুলতে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah নাকি এই রূপরেখা নিয়ে একাধিক বিরোধী নেতাকে ব্রিফ করেছেন।
ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া চালু করতে বিদ্যমান আইন, যেমন Delimitation Act-এ সংশোধন আনার প্রয়োজন হবে, যাতে নতুন জনসংখ্যার তথ্য অনুযায়ী নির্বাচনী এলাকার পুনর্বিন্যাস করা যায়।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংরক্ষিত আসনগুলির বণ্টন সম্ভবত লটারির মাধ্যমে করা হবে, যাতে ঘূর্ণন পদ্ধতি বজায় থাকে এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়। তবে সিকিমের মতো কিছু ছোট রাজ্যে এই প্রস্তাবিত কাঠামোর আওতায় পরিবর্তন নাও হতে পারে।
সম্প্রতি মন্ত্রিসভার সংসদীয় বিষয়ক কমিটির বৈঠকের পর এই উদ্যোগ আরও গতি পায়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi ২০২৯ সালের মধ্যে নারী সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোনোর উপর জোর দেন।
