সোমবার রাতে একটি পোস্টে মোদি জানিয়েছেন, “পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি নিয়ে সৌদি আরবের যুবরাজ এবং প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সলমানের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ভারত সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে লঙ্ঘন করা সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে। আমরা একমত যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দ্রুত ফেরানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কঠিন সময়ে ভারতীয়দের সুরক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছি তাঁকে।”
advertisement
আরও পড়ুন: লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম ‘বিচারাধীন’, ERO/AERO–দের ঘাড়ে দোষ চাপাতেই কড়া জবাব WBCS অ্যাসোসিয়েশনের
অন্য একটি পোস্টে মোদি জানান, বাহারিনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গেও কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পোস্টে লিখেছেন, “ভারত বাহারিনের উপর হামলার নিন্দা করেছে। কঠিন সময়ে দেশটির জনগণের পাশে আছি আমরা। বাহারিনের ভারতীয় সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়ায় ধন্য়বাদ জানিয়েছি।”
কূটনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে ভারতের কৌশল স্পষ্ট। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পক্ষেই অবস্থান ভারতের। এক দিকে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার টানাপোড়েন, অন্য দিকে উপসাগরীয় দেশগুলিতে বিপুল ভারতীয় প্রবাসীর উপস্থিতি; দু’দিক সামলাতেই সতর্ক পদক্ষেপ করছে দিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জরুরি সহায়তার ব্যবস্থাও সক্রিয় রাখা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ইরান-হামলা ও মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কটের আবহে প্রধানমন্ত্রী মোদির একের পর এক কূটনৈতিক ফোনালাপ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত বিশ্লেষকদের। শান্তির পক্ষে অবস্থান, হামলার নিন্দা এবং প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষায় অগ্রাধিকার; এই তিন বার্তাই স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছে ভারত।
