অজিত পওয়ারকে নিয়ে যে চার্টার্ড বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে, সেটিতে ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন পিঙ্কি মালি৷ পিঙ্কির পরিবার আদতে উত্তর প্রদেশের জৌনপুরের গ্রামের ভেঁসা গ্রামের বাসিন্দা হলেও তাঁরা বহু বছর ধরেই মুম্বইয়ে বসবাস করছে৷ পিঙ্কির পড়াশোনাও মুম্বইয়ে৷ পিঙ্কি এয়ার হোস্টেস হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন৷ ওই চার্টার্ড বিমানে ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে যুক্ত ছিলেন তিনি৷
advertisement
জৌনপুরের গ্রামীণ এলাকা থেকে উঠে এসে পিঙ্কি বিমান পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাঁর গ্রামের বাসিন্দারাও তাঁকে নিয়ে গর্বিত ছিলেন৷ যদিও বুধবার সকালের দুঃসংবাদে গোটা গ্রামেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে৷
মুম্বইয়ে পিঙ্কির সঙ্গে তাঁর ভাই করণ এবং বোন প্রীতি মালি থাকতেন৷ তাঁদের কাকু কাকিমারা জৌনপুরের গ্রামের বাড়িতেই থাকেন৷ বুধবারের দুর্ঘটনায় পিঙ্কির মৃত্যুর খবরে গ্রামবাসীরা তাঁদের কাকু-কাকিমাকে সমবেদনা জানাতে ভিড় জমান৷
জানা গিয়েছে, অভিজ্ঞ পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত এবং সহকারী পাইলট শাম্ভবি এই ছোট বিমানটি উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন৷ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ওই দুই পাইলট এবং অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরও মৃত্যু হয়৷ সকাল ৮.১০ মিনিটে ছোট ওই বিমানটি মুম্বই থেকে রওনা দেয়৷ সকাল ৮.৪৫ মিনিট নাগাদ সেটি অবতরণের সময় বারামতী বিমানবন্দরের রানওয়ের পাশেই ভেঙে পড়ে৷
