বিরোধীদের তরফে অনাস্থা প্রস্তাব আনার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে—
* বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে সংসদে বলতে না দেওয়া
* কংগ্রেসের মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে অন্যায় অভিযোগ আনা
* অনৈতিক ভাবে ৮ সাংসদকে পুরো অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা
* ট্রেজারি বেঞ্চের এক সাংসদকে (নিশিকান্ত দুবে) সব রকমের ছাড় দেওয়া
সূত্রের খবর, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে বিরোধীরা। কারণ, অনাস্থা প্রস্তাব আনার আগে ২০ দিনের নোটিস দিতে হয়।
advertisement
অভিযোগ, সংসদে বাজেট অধিবেশনে নানাভাবে বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করেছে মোদি সরকার। বলতে দেওয়া হয়নি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে। প্রথমবার লোকসভায় রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের জবাবী ভাষণ দিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সকালে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের (Mallikarjun Kharge) বাসভবনে বৈঠকে বসেন বিরোধী জোটের সাংসদ ও নেতারা। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার উপ-দলনেতা সাংসদ শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিও। সংসদে কী রণকৌশল হবে বিরোধী সাংসদদের? তা নির্ধারিত হল বৈঠকে।
