বিশেষ করে নিউ জলপাইগুড়ি-বঙাইগাঁও এক্সপ্রেস, হাওড়া-গুয়াহাটি সরাইঘাট এক্সপ্রেস এবং ডিব্রুগড়-দেওঘর এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনে সময় সাশ্রয়ের পরিমাণ যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। এই ট্রেনগুলিতে যথাক্রমে ৬০ মিনিট, ৩০ মিনিট এবং ৯০ মিনিট পর্যন্ত সময় কমেছে, যা দূরপাল্লার যাত্রীদের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীদের ক্ষেত্রেও এই সময় সাশ্রয় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছে রেল কর্তৃপক্ষ।
advertisement
রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র গতিবেগ বৃদ্ধি নয়, উন্নত সেকশনাল স্পিড, সময়সূচির পুনর্বিন্যাস এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যস্ত রুটগুলিতেও ট্রেন চলাচলকে আরও সুসংগঠিত করা হয়েছে। ইন্টারসিটি, মেইল/এক্সপ্রেস এবং সাধারণ যাত্রীবাহী ট্রেন—সব ক্ষেত্রেই এই উন্নয়নের প্রভাব পড়েছে। ফলে ট্রেন চলাচলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও আরও দক্ষ হয়ে উঠছে।
এই পদক্ষেপের ফলে যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমার পাশাপাশি পরিষেবার নির্ভরযোগ্যতা ও সময়ানুবর্তিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে রেলের ক্ষেত্রে রোলিং স্টক ও ট্র্যাক ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ছে, ট্রেনের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমছে এবং শক্তি সাশ্রয়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এর ফলে একই পরিকাঠামোর মধ্যে আরও বেশি ট্রেন চালানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে পরিষেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিচালন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে যাত্রীদের আরও দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে।
