জাহাজটিতে মোট ৪২,০০০ মেট্রিক টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (LPG) রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার ‘জ্যাগ বসন্ত’-এর সঙ্গে আরও একটি গ্যাস বহনকারী জাহাজ ‘পাইন গ্যাস’-ও ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয়। জানা যাচ্ছে, ৪৫ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি বহন করা ‘পাইন গ্যাস’ খুব শীঘ্রই কর্নাটকের নিউ মেঙ্গালুরু বন্দরে আসবে।
এই সপ্তাহের শুরুতে ভারতীয় আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন, ভারতের দুটি এলপিজি জাহাজ দেশে ৯০,০০০ মেট্রিক টনেরও বেশি এলপিজি নিয়ে আসছে। এর মধ্যে ‘জ্যাগ বসন্ত’ ইতিমধ্যেই ভারতে পৌঁছে গিয়েছে। ‘পাইন গ্যাস’-ও খুব শীঘ্রই ভারতে পৌঁছবে। ফলে, দু’টি জাহাজ দেশে ঢোকার পর ভারতে মজুত গ্যাসের পরিমাণ ৯০,০০০ মেট্রিক টনেরও বেশি হবে। কাজেই, দেশে এলপিজির বড় ধরনের কোনও ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা করছে না ভারত।
advertisement
জানা যায়, গত সোমবারই হরমুজ পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয় দু’টি জাহাজ। একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই জাহাজগুলো সাধারণত যে ছোট ও সোজা পথ দিয়ে আরব সাগরে ঢোকে, সেই পথ এড়িয়ে কাশেম-লারাক চ্যানেল হয়ে হরমুজ পেরোয় । এই চ্যানেল দিয়ে হরমুজ পেরোলে তুলনায় বেশি সময় লাগে। কিন্তু মনে করা হচ্ছে, হামলা এড়াতেই এই পদক্ষেপ। সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দু’টি জাহাজই আগাম সংকেত পাঠিয়ে জানিয়ে দেয়, সেগুলি ভারতের দিকে যাচ্ছে। অনুমান, তার পরেই দু’টি জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেয় ইরান।
প্রসঙ্গত, ইরানের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষৎকারে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “হরমুজ পুরোপুরি বন্ধ নেই। ইরানের সঙ্গে যে কয়েকটি দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তাদের জাহাজগুলিকে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নিরাপদে হরমুজ পেরনোর জন্য বহু জাহাজ মালিক এবং অনেক দেশই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তবে বন্ধু দেশগুলিকেই আপাতত অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”
