অ্যাকোস্টিক ইমেজার-এর ব্যবহার ডিভি লিকেজ, এয়ার বেলো লিকেজ এবং এয়ার ব্রেক পাইপ লিকেজ-এর দ্রুতভাবে, ভিজুয়াল ডিটেকশন করার জন্য করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি দৃশ্যমান ছবির উপর একটি অ্যাকোস্টিক সাউন্ড ম্যাপ দ্বারা কম্প্রেসড এয়ার ও গ্যাস লিকেজ সঠিকভাবে সনাক্ত করতে সাহায্য করে, যার ফলে সঠিক, সুরক্ষিত এবং সময়-সাশ্রয়ী ডায়াগনসিস নিশ্চিত হয়। এই পদক্ষেপ এয়ার ব্রেক লিকেজ সনাক্তকরণের নির্ভরযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে, ডায়াগনস্টিকের সময় কম করে এবং সময়মতো সংশোধনে সহায়তা করে, যার ফলে পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য, গুয়াহাটি কোচিং ডিপোতে পিট লাইন কর্মীদের কম্পিউটারাইজড আরটিআর মেশিন চালানো এবং অ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিক টুল্স-এর ব্যবহারের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
advertisement
রেলের এয়ার ব্রেক (Air Brake)
রেলের এয়ার ব্রেক হল একটি সংকুচিত বায়ু-চালিত ব্রেকিং ব্যবস্থা, যা ট্রেনের চাকাগুলিতে ঘর্ষণ তৈরি করে ট্রেনকে ধীরে ধীরে থামানোর জন্য ব্যবহৃত হয়; এটি একটি বিশ্বব্যাপী মানসম্মত, নিরাপদ ও কার্যকরী পদ্ধতি, যেখানে প্রধান কম্প্রেসার থেকে সংকুচিত বাতাস পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিটি বগিতে যায় এবং চালক যখন চাপ কমায়, তখন এই বাতাস ব্রেক প্যাডগুলোকে চাকার সঙ্গে চেপে ধরে। এই সিস্টেমে মূলত কম্প্রেসার, প্রধান রিজার্ভার, ব্রেক পাইপ, ট্রিপল ভালভ, অতিরিক্ত রিজার্ভার, ব্রেক সিলিন্ডার এবং ব্রেক জুতা (shoes) প্রধান অংশ, যা দুর্ঘটনা এড়াতে সাহায্য করে।
এছাড়াও, সিক লাইন/গুয়াহাটি ‘ওয়ান ডে ওয়ান কোচ–ইনটেনসিভ’ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার অধীনে প্রতিদিন একটি কোচ সম্পূর্ণ ওভারহলিংয়ের জন্য নেওয়া হয়। এই কাজের মধ্যে বাইরের অংশে রঙ করা, যাত্রীদের সুবিধার জন্য সরঞ্জাম স্থাপন, বার্থের রেক্সিন পরিবর্তন, লিনেন স্টোরেজ-এর মেরামত, শৌচাগারে নতুন ইপিপিএফ সিলিন্ডার স্থাপন, নতুন ডাস্টবিন এবং সাইড মিরর স্থাপনের কাজ রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই পদক্ষেপের অধীনে তিনটি কোচের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি যাত্রী সুরক্ষা, উন্নত রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ধারাবাহিক উন্নয়নের প্রতি উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অঙ্গীকারকে পুনঃনিশ্চিত করে।
