তবে, এই চুক্তি সই হওয়ার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটা বড় চুক্তি সই হয়েছে। মানুষজন এটাকে মাদার অফ অল অল ডিলস বলে উল্লেখ করছে। এই চুক্তি ভারত ও ইউরোপের জনসাধারণের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে আসবে। এটি বিশ্বের দুটি প্রধান অর্থনীতির মধ্যে অংশীদারিত্বের একটি নিখুঁত উদাহরণ। এই চুক্তি গোটা বিশ্বের জিডিপির ২৫ শতাংশ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে।’
advertisement
মোদির কথায়, ”আমার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে এই অভূতপূর্ব ভারত যাত্রায় স্বাগত জানাচ্ছি। গতকাল এক ঐতিহাসিক মুহুর্ত ছিল যখন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কর্তারা ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। ভারত-ইউরোপের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে বিগত কয়েক বছরে। আমরা সমাজের সব ক্ষেত্রকে লাভবান করার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ। ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এফটিএ ডিল সই হল আজ।”
এখানেই শেষ নয়, মোদির কথায়, ”২৭টি ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে এফটি ডিল ভারতের ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন বাণিজ্যিক পথ খুলে দেবে। টেক, ক্লিন এনার্জি, ডিজিটাল গভর্নেন্সে সহযোগিতা হবে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে- সহযোগকারী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এদিন।” মোদির সংযোজন, ”পার্টনারশিপ ফর গ্লোবাল গুড— ইউ এবং ভারতের এই পার্টনারশিপ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই ডিল কিছুটা স্থিতাবস্থা দেবে বিশ্বকে।’
এরপরই ইউরোপিয়ন কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিও কোস্তা বলেন, ”আমি ইউরোপিয়ন কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওভারসিজ ভারতীয়। আমার কাছে আজকের দিন তাই বেশি আনন্দের। আমার শিকড় গোয়ায় রয়েছে। আমরা আমাদের পার্টনারশিপকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছি।”
