সূত্রের দাবি, এনকাউন্টারে ওই শীর্ষ জৈশ কমান্ডারকে নিকেশ করা হয়েছে। যদিও সেনাবাহিনীর তরফে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এলাকায় তল্লাশি ও অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা অঞ্চল ঘিরে ফেলে অভিযান চালানো হচ্ছে যাতে কোনও জঙ্গি পালাতে না পারে।
advertisement
সুপ্রিম রায় ‘অ্যান্টি-আমেরিকান’! ‘১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করছি!’ শুল্ক নিয়ে ফের ঘোষণা ট্রাম্পের
এরই মধ্যে সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দিল্লি পুলিশ আটজনকে গ্রেফতার করেছে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। অভিযোগ, ভারতে বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা করছিল তারা। ধৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তদের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশের একাধিক জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ থাকতে পারে।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুর জেলায় গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করার ছদ্মবেশে লুকিয়ে ছিল মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাত, উমর, মহম্মদ লিতন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জল। ওই ছ’জনকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করে তামিলনাড়ু পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও আরও দু’জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ভুয়ো আধার কার্ড ব্যবহার করছিল অভিযুক্তরা। তল্লাশিতে আটটি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। প্রথমে তামিলনাড়ু পুলিশ গোটা চক্রটিকে আটক করে। পরে তদন্তের স্বার্থে তাদের দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।
নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, জঙ্গি নেটওয়ার্কের আন্তঃরাজ্য এবং আন্তর্জাতিক যোগসাজশের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একদিকে কিশতওয়ারে এনকাউন্টার অভিযান, অন্যদিকে রাজধানী ও বিভিন্ন রাজ্যে গ্রেফতারি—সব মিলিয়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী তৎপরতা জোরদার করেছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।
