পরিদর্শনের সময়, জেনারেল ম্যানেজার রেলপথের অবস্থা, ছোট ও বড় ব্রিজ, সিগন্যালিং এবং টেলিকমিনিউকেশন ব্যবস্থা, ট্র্যাকশন ইনস্টলেশন, লেভেল ক্রসিং গেট এবং স্টেশন পরিকাঠামোর বিস্তারিত মূল্যায়ন করেন। নির্ধারিত সুরক্ষার মান কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য সেফটি ক্রিটিক্যাল অ্যাসেট, কার্ভ, পয়েন্ট অ্যান্ড ক্রসিং এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজগুলি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হয়। তিনি রেলওয়ের কর্মকর্তা এবং ফ্রন্টলাইন স্টাফের সঙ্গেও মত বিনিময় করেন, যাতে তাঁরা অপারেশনাল প্রস্তুতি, সুরক্ষা সচেতনতা এবং সতর্কতা মূল্যায়ন করতে পারেন এবং স্টেশন এবং কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জামের প্রাপ্যতা এবং অবস্থা পর্যালোচনা করতে পারেন।
advertisement
পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে, কোঁকরাঝাড়, ফকিরাগ্রাম, আলিপুরদুয়ার এবং নিউ কোচবিহারে বিস্তারিত স্টেশন পরিদর্শন করা হয়। অমৃত স্টেশন পদক্ষেপের অধীনে সম্পাদিত উন্নয়নমূলক কাজ, যাত্রী সুযোগ-সুবিধা, স্টেশন আধুনিকীকরণ এবং সামগ্রিক পরিষেবার মানের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে পর্যালোচনা করা হয়। জেনারেল ম্যানেজার ট্র্যাকশন সাবস্টেশন, ব্রিজ এবং নতুন শুরু হওয়া গ্যাং টুল কাম রেস্ট রুম পরিদর্শনের পাশাপাশি ওয়েটিং রুম, হেল্থ ইউনিট, ক্রু লবি এবং রানিং রুম-সহ নতুন উন্নত সুবিধাগুলি উদ্বোধন ও পর্যালোচনা করেন। পরিচালনগত পরিস্থিতিতে ট্র্যাক এবং রোলিং স্টকের কার্যকারিতা মূল্যায়নের জন্য কামাখ্যাগুড়ি এবং নিউ কোচবিহারের মধ্যে একটি স্পিড ট্রায়াল সম্পন্ন করা হয়।
আরও পড়ুন : ‘ইচ্ছাধারী নাগিন’-এর গুঞ্জন চরমে! রাতে নিজের ঘরে ঘুমোতে গিয়ে নিখোঁজ তরুণী…বিছানায় পড়ে সাপের খোলস!
পরিদর্শনটিতে ডাংতল-নিউ কোচবিহার সেকশনের রিয়ার উইন্ডো ট্রেইলিং অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে জেনারেল ম্যানেজার ট্র্যাকের অবস্থা এবং পরিচালনগত কর্মক্ষমতা পর্যালোচনা করেন। এই পরিদর্শনটি পরিষেবার উৎকর্ষের প্রতি উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের প্রতিশ্রুতি পুনরায় ব্যক্ত করেছে। জেনারেল ম্যানেজার রেলওয়ে কর্মীদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং এই অঞ্চলে রেল পরিষেবা মজবুত করার জন্য অব্যাহত সাহায্যের আশ্বাস দেন।
