এই পরিষেবাগুলির মধ্যে মেল/এক্সপ্রেস ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন রয়েছে যা গুয়াহাটি, সাইরাং, ডিব্রুগড়, আগরতলা, নর্থ লখিমপুর, কাটিহার, যোগবানী, আনন্দ বিহার এবং দেশের আরও বেশ কয়েকটি প্রধান স্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলোকে সংযুক্ত করে, যার ফলে যাত্রীদের, বিশেষ করে দীর্ঘ দূরত্বের এবং পূর্বের কঠিন পথে ভ্রমণের জন্য অতিরিক্ত বিকল্প সুবিধা উপলব্ধ হয়েছে।
আরও পড়ুনLPG Cylinder Price Hike: নতুন বছরেই ধাক্কা! ১১১ টাকা বেড়ে গেল LPG সিলিন্ডারের দাম, কত হল কলকাতায়?
advertisement
যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা আরও বৃদ্ধি করতে, কিছু বিদ্যমান ট্রেন পরিষেবার ফ্রিকুয়েন্সিও বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, শিলচর এবং মহিষাশনের মধ্যে চলাচলকারী যাত্রীবাহী ট্রেনগুলি, যা আগে সপ্তাহে মাত্র দুইদিন চলত, সেগুলিকে এখন সপ্তাহে ছয় দিন চালানোর জন্য আপগ্রেড করা হয়েছে। এই উন্নয়নের ফলে বরাক উপত্যকা অঞ্চলের প্রতিদিনের যাত্রীরা এবং সাধারণ জনগণ আরও নমনীয় ও নির্ভরযোগ্য ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন সময়সূচীতে ভ্রমণের ব্যস্ততম সময়ে চলাচলকারী স্পেশাল ট্রেনগুলিকেও আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মোট ১২ জোড়া স্পেশাল ট্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার রুটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা উৎসব, ছুটি এবং হাই-ডিমান্ডের সময়ে সিজনাল ভিড় সামলানোর জন্য উন্নত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করবে।
নতুন সময়সূচীর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল বিদ্যমান ট্রেনগুলির জন্য বিপুল সংখ্যক নতুন স্টপেজের ব্যবস্থা করা। অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং সংলগ্ন এলাকার স্টেশনগুলিতে ১৭০টিরও অধিক নতুন স্টপেজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই নতুন স্টেপেজগুলি সেমি-আরবান ও গ্রামীণ এলাকারযাত্রীদের জন্য রেল পরিষেবা আরও সহজলভ্য করে তুলবে, রেল পরিবহনে অ্যাক্সেস উন্নত করবে এবং নির্দিষ্ট ট্রেনে ওঠার জন্য প্রধান স্টেশনগুলোতে দীর্ঘসড়ক ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করবে।
আধুনিকীকরণ এবং শক্তি সাশ্রয়ের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে ব্যাপক পরিসরে ট্র্যাকশন চেঞ্জিং পয়েন্টগুলি স্থানান্তরের কাজও সম্পন্ন করেছে, যার ফলে অনেক ট্রেন এন্ড-টু-এন্ড ইলেক্ট্রিক ট্র্যাকশনে চলাচল করতে পারছে। এই পদক্ষেপের ফলে ট্রেন চলাচল আরও সুগম হবে, ডিজেল লোকোমোটিভের উপর নির্ভরতা কমবে, কার্বন নির্গমন হ্রাস পাবে এবং সময়ানুবর্তিতা উন্নত হবে।
উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপগুলির প্রভাব যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে আশা করাহচ্ছে। ট্রেনের সূচনা/অন্তর্ভুক্তি, ফ্রিকুয়েন্সি বৃদ্ধি, অতিরিক্ত স্টপেজ, বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশনের সম্প্রসারণ এবং স্পেশাল ট্রেনের সংযোজনের ফলে সামগ্রিকভাবেউন্নত সংযোগ ব্যবস্থা, ভ্রমণের সময় হ্রাস, পরিচালন দক্ষতার বৃদ্ধি এবং যাত্রীদের অধিকতর সন্তুষ্টি নিশ্চিত হবে। এই উদ্যোগগুলি সুরক্ষিত, দক্ষ, পরিবেশবান্ধব এবং যাত্রী-কেন্দ্রিক রেল পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে উত্তর-পূর্বসীমান্ত রেলওয়ের অঙ্গীকারকে পুনঃনিশ্চিত করে, এবং একই সাথে উত্তর-পূর্বঅঞ্চলের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও সহায়তা করবে
