সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতের কনস্যুলেট জানিয়েছে, স্থানীয় পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করেছে। এক বিবৃতিতে কনস্যুলেট সাকেতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত তাঁর মরদেহ ভারতে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে রয়েছে ভারত সরকার।
বিহারের তরুণীর প্রেমে বীরভূমের গৃহবধূ! স্বামী, সন্তান ছেড়ে ডিভোর্সের আবেদন রামপুরহাট আদালতে
advertisement
নিখোঁজের পর থেকেই প্রশাসনের তরফে শহরজুড়ে তল্লাশি চালানো হয়। বিশেষ করে লেক আনজা এবং বার্কলে হিলস সংলগ্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়। কয়েক দিন পর টিলডেন রিজিওনাল পার্কের কাছে একটি বাড়ির সামনে থেকে তাঁর ব্যাকপ্যাক উদ্ধার হয়। সেই ব্যাগে তাঁর পাসপোর্ট ও ল্যাপটপ ছিল বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে রেডিটে একাধিক ব্যবহারকারী তথ্য আদানপ্রদান ও খোঁজে সহায়তার আবেদন জানান।
সাকেত ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, মাদ্রাজের প্রাক্তনী ছিলেন। বেঙ্গালুরুর শ্রী বাণী এডুকেশন সেন্টার থেকে তাঁর স্কুলশিক্ষা সম্পন্ন হয়। উচ্চতায় ছয় ফুটের বেশি, ওজন প্রায় ১৬০ পাউন্ড, ছোট কালো চুল ও বাদামি চোখের এই ছাত্র পড়াশোনায় কৃতী ছিলেন। তাঁর লিঙ্কডইন প্রোফাইল অনুযায়ী, ‘মাইক্রোচ্যানেল কুলিং সিস্টেম ফর হাইপারলুপ অ্যান্ড এ মেথড দেয়ারঅফ’ সংক্রান্ত একটি পেটেন্টে তিনি ছয়জন উদ্ভাবকের অন্যতম ছিলেন। বন্ধুবান্ধবদের কথায়, তিনি মেধাবী, নম্র এবং তীক্ষ্ণবুদ্ধির অধিকারী ছিলেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদেশে অধ্যয়নরত ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি লোকসভায় হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বিদেশে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়ে কেন্দ্রের পদক্ষেপ জানতে চান। জবাবে বিদেশ মন্ত্রক জানায়, বিভিন্ন দেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলি নিয়মিত ভাবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে, সচেতনতা কর্মসূচি চালায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ জারি করে।
