রোগীর আত্মীয় গোরানউদ্দিন শেখ বলেন, ” আমার কাকু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকেরা ঠিকমত দেখছেন না। যে-সময়ে চিকিৎসকদের আসার কথা, সেই সময় আসছেন না। চিকিৎসা ব্যবস্থায় অনেক গাফিলতি রয়েছে।” মৃত শিশুর আত্মীয় নন্দন চৌধুরী বলেন, ”প্রসূতি বিভাগে ও এস এন সি ইউ বিভাগে চিকিৎসক ও নার্সরা অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেন। চিকিৎসকরা ঠিকমত রোগীদের দেখছেন না।” অভিযোগ উঠছে, কলকাতা থেকে আসা দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা তিনদিনের বেশি থাকেননা। তিনদিন ডিউটি করে দায় সারেন চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, মেডিক্যাল কলেজে যে-সব বায়োমেট্রিকগুলি বসানো রয়েছে, সেগুলি বিকল করে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যে-ক’টি বায়োমেট্রিক সক্রিয় রয়েছে, সেগুলিতেও বেশ কিছু চিকিৎসক এখনও রেজিস্ট্রেশন করেননি বলেও অভিযোগ।
advertisement
যদিও এই বিষয়ে মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডঃ অমিত দাঁ বলেন, নতুন বায়োমেট্রিক বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সমস্ত বায়োমেট্রিকগুলি আপডেট করা হবে। চিকিৎসকেরা না আসলে অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের শোকজ করা হয়। শিশু মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে আসা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি ডাঃ অসীম দাস মালাকার বলেন, ” বিষয়টি প্রশাসনিক বিষয়। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবেন।”
