শুক্রবার সকালে নরেন্দ্র মোদি দিল্লির রাজঘাটে গিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধিকে শ্রদ্ধা জানান। প্রার্থনাসভায় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মূর্মূ ও উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজঘাটে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
advertisement
‘আমিও শেষ দেখে ছাড়ব’! আদালতে যাওয়ার পথে বললেন মিমিকে হেনস্থার দায়ে গ্রেফতার হওয়া তনয় শাস্ত্রী
এর আগে সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “মহাত্মা গান্ধির মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতির জনকের প্রতি আমার শত শত প্রণাম। শ্রদ্ধেয় বাপু স্বদেশির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন, যা আজও একটি উন্নত ও আত্মনির্ভর ভারতের সংকল্পের অন্যতম স্তম্ভ। তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কর্ম চিরকাল দেশবাসীকে কর্তব্যের পথে চলার প্রেরণা জোগাবে।”
আর এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী গান্ধিজির অহিংসা নীতির কথা তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, “মানবতার সুরক্ষার জন্য অহিংসার উপরই জোর দিয়েছিলেন বাপু। এই শক্তির এমন ক্ষমতা রয়েছে, যা অস্ত্র ছাড়াই বিশ্বকে বদলে দিতে পারে।” সেই সঙ্গে তিনি অহিংসার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে সংস্কৃত শ্লোকও উদ্ধৃত করেন।
এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তও রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানান। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি দিল্লিতে নাথুরাম গডসের গুলিতে নিহত হন মহাত্মা গান্ধি। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছরই রাজঘাটে রাষ্ট্রীয় স্তরে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
