এই ঘটনায় আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়ার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। মৃত পরিবারের বাড়ির বাইরে প্রচুর ভিড় জমে যায়।
আরও পড়ুন– ব্লু লাইনে একের পর এক আত্মহত্যার চেষ্টা ! কী বিশেষ ব্যবস্থা নিল কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ?
পুরো ঘটনা সম্পর্কে বিবৃতি দিতে গিয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, মহাবন থানার আওতাধীন খাকবরপুর গ্রামে স্বামী, স্ত্রী এবং তিন সন্তান-সহ এক পরিবারের পাঁচজনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। মৃত ব্যক্তির নাম মণীশ, তিনি পেশায় একজন কৃষক। তাঁদের মৃতদেহ বাড়ির একটি ঘরে পাওয়া গিয়েছে। পাশের বাড়িতেই থাকেন মণীশের ভাই, পরিবারের কাউকেই সকালে ঘুম থেকে না উঠতে দেখে তিনি তাঁদের খোঁজখবর নিতে যানন। তিনি মূল ফটক ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখেন যে, পরিবারের সকলের মৃতদেহ ঘরে পড়ে রয়েছে। দেওয়ালে এবং কাগজের টুকরোতে লেখা একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। মৃত ব্যক্তির মোবাইল ফোনে একটি সুইসাইড ভিডিও-ও পাওয়া গিয়েছে। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
advertisement
আরও পড়ুন– ‘সে আমাকে হুমকি দিয়েছিল…আমি একজন ঠাকুর !’ মন্তব্যের পর নীরবতা ভাঙলেন ব্যাঙ্ক কর্মচারী
হতাশাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সমাজে নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে কৃষকদের আত্মহত্যার খবর প্রায়শই উঠে আসে খবরের শিরোনামে। নেপথ্যে বেশিরভাগ সময়েই দারিদ্র্য কারণ হিসাবে কাজ করে। তবে, এছাড়াও হতাশার অনেক কারণই থাকতে পারে, তা বিদ্যমান থাকতে পারে আমাদের সকলেরই খুব কাছের কোনও ব্যক্তির মধ্যেও। যদি কারও পরিচিত কেউ হতাশাগ্রস্ত থাকেন এবং নিজের ক্ষতি করার চিন্তা করেন বা নিজের ক্ষতি করার চেষ্টা করেন, তাহলে এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর জরুরি অবস্থা হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। সেক্ষেত্রে একটি মূল্যবান জীবন বাঁচাতে অবিলম্বে ভারত সরকারের জীবনসাথী হেল্পলাইন নম্বর 18002333330-এ যোগাযোগ করা প্রয়োজন।
