এসআইয়ের প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে মমতা বলেন, “বন্দ্যোপাধ্যায়, চট্টোপাধয্যায় করে নাম বাদ দিয়েছেন। প্রথমে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছেন। এআই ব্যবহার করে। মেয়ের বিয়ের পর ‘টাইটেল’ বদল হয়ে। তাঁদের নামও বাদ দিয়ে দিয়েছেন—যা সম্পূর্ণ ‘নারী-বিরোধী’।
advertisement
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তৃণমূলনেত্রীর মন্তব্য, “নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এসআইআর করার প্রয়োজন কী ছিল? ইলেকশন বাউন্ড ৪ রাজ্যকে ছেড়ে দিতেন। অসমে বিজেপির সরকার রয়েছে। নর্থ ইস্টে তো করেননি!” চরম উষ্মা প্রকাশ করে মমতা আরও বলেন, “আমার জন্মের শংসাপত্রও আমি আনতে পারব না। আপনাদের পিএমের কাছে সব নথি আছে? আদবানিজিকে সম্মান-সহ বলতে চাইছি, উনি কাগজ দেখাতে পারবেন?”
দিল্লিতে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশনের বৈঠককে বয়কট করে মমতার চ্যালেঞ্জ, “আমি চ্যালেঞ্জ করছি, এক লক্ষ মানুষকে নিয়ে আসব। আরপি অ্যাক্টের বাইরে বেরিয়ে কাজ করছে কমিশন। এত মৃত্যুর দায় কার?”
এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক করতে রবিবারই দিল্লি পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের অন্যান্য ১২ সাংসদ ও এসআইআরে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে নির্বাচন সদনে যান মমতা। প্রায় সোওয়া ১ ঘণ্টা বৈঠকের পর বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কমিশনকে একহাত নেন তিনি। বলেন, ‘‘আমি অনেক দিন দিল্লিতে রাজনীতি করেছি। মন্ত্রীও ছিলাম। কিন্তু এত দিনে এমন অহংকারী নির্বাচন কমিশন দেখিনি।’’কমিশনকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে আক্রমণ করে মমতা বলেন, ‘‘কেন বাংলাকে নিশানা করা হচ্ছে?’’
