জানা গিয়েছে, ট্রেনে যাত্রা করা এক যাত্রী শৌচালয়ে গিয়ে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি রেল জরুরি নম্বরে ফোন করে নিয়ন্ত্রণকক্ষকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় রেল সুরক্ষা বাহিনী ও সরকারি রেল পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
আর কোনও উপায় নেই? ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ ট্রাম্পকে কেবলমাত্র দুটি বিকল্পের সামনেই দাঁড় করিয়ে দিল!
advertisement
৪ গ্রহের বিরল সংযোগ এপ্রিলেই! কেরিয়ারে বিরাট সাফল্য, ভাল সময়, এপ্রিলেই কপাল খুলবে কোন ৫ রাশির?
সরকারি রেল পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিক অনিল মারাভি জানিয়েছেন, শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে তৎক্ষণাৎ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নবজাতক পরিচর্যা বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
ঘটনার পরই জিআরপি একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। কে বা কারা এই নবজাতককে এমন অবস্থায় ফেলে গেল এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের শনাক্ত করা গেলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।
এই ঘটনা সমাজে ক্রমবর্ধমান সংবেদনশীলতার অভাবকে সামনে এনে দিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রায় তিন মাস আগে ভোপালগামী নর্মদা এক্সপ্রেসেও একই ধরনের একটি ঘটনা সামনে এসেছিল। সেখানে এক মহিলা নিজের ১৫ দিনের শিশুকে এক তরুণীর হাতে তুলে দিয়ে শৌচালয়ে যাওয়ার কথা বলে আর ফিরে আসেননি। পরে ওই তরুণী শিশুটিকে নিয়ে রানি কমলাপতি রেলস্টেশন-এ নামেন এবং একটি হোটেলে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্মীরা পুলিশে খবর দেন। এই দুই ঘটনাই স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এমন অমানবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে আরও কঠোর নজরদারি ও সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে।
