সেখান থেকেই জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর পরিকল্পনা চলছিল। শহরের জনবহুল এলাকাগুলিতে রেইকি করে হামলার ছক কষছিল সে। তদন্তে জানা গিয়েছে, লস্করের দুই হ্যান্ডলার ‘আবু হুজাইফা’ ও ‘সুমামা বাবর’-এর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার। অতীতে জাকি-উর-রহমান লখভির সঙ্গেও তার যোগ ছিল।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টা পরেও নেই খোঁজ, ড্রোন উড়িয়ে খোঁজ চলছে বৃদ্ধার কাটা মুণ্ডু! জলপাইগুড়িতে মারাত্মক কাণ্ড
advertisement
ধৃতের কাছ থেকে বাংলাদেশি মুদ্রা, পাকিস্তানি টাকা, ভারতীয় নগদ অর্থ ও একটি নেপালি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। নতুন করে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ার চেষ্টা করছিল বলেই সন্দেহ পুলিশের। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল লস্কর-ই-তইবা (LeT)-প্রশিক্ষিত সন্দেহভাজন জঙ্গি এবং সংগঠনের অন্যতম প্রধান নিয়োগকারী শবির আহমদ লোনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে গাজিপুর সীমান্তের কাছে তাকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: এক মাস টানা চা না খেলে শরীরে কী হয় জানেন? জানলে চমকে যাবেন…
একজন শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক জানান, লোন মূলত বাংলাদেশ থেকে তার কার্যকলাপ পরিচালনা করত এবং একটি গোপন আস্তানা থেকে লস্করের নিয়োগ চক্র চালাত। প্রসঙ্গত, প্রায় এক মাস আগে দিল্লি পুলিশ বাংলাদেশ-ভিত্তিক একটি জঙ্গি মডিউল ভেঙে দেয়, যার মূল হ্যান্ডলার হিসেবে লোনের নাম উঠে আসে। ওই সময় ‘ফ্রি কাশ্মীর’ পোস্টার লাগানোর অভিযোগে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
