হঠাৎ এই ইস্তফায় চমক ছড়িয়েছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ মহলে। ২০১৩ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধ দমন ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছিলেন। বর্তমানে দিল্লিতে ডেপুটেশনে থাকা অবস্থাতেই তিনি পুলিশ সার্ভিস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রাষ্ট্রপতির হাতে পদক পাওয়ার পরও দীর্ঘ কর্মজীবন বাকি থাকতে এমন সিদ্ধান্ত নতুন করে ‘ব্রেন ড্রেন’ ও প্রশাসনিক কাঠামোর চাপ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
advertisement
রবিবার ফের ১৬ ঘণ্টা বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু! মেরামতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত, যেতে হবে বিকল্প পথে!
কে এই আইপিএস অভিষেক তিওয়ারি?
অভিষেক তিওয়ারি মধ্যপ্রদেশে বালাঘাট, শাহডোল এবং রতলামের মতো সংবেদনশীল জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অপরাধ দমনে ডেটা অ্যানালিটিক্স ও টেকনিক্যাল সার্ভিল্যান্স ব্যবহারে তাঁর সাফল্য বিশেষভাবে নজর কাড়ে। এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই তিনি রাষ্ট্রপতি পদকে সম্মানিত হন। বর্তমানে তিনি দিল্লিতে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন-এ কর্মরত ছিলেন।
ভিআরএস নাকি ইস্তফা—কারণ কী?
অভিষেক তিওয়ারি মধ্যপ্রদেশের ডিজিপি ও স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে ‘ব্যক্তিগত কারণ’-এর উল্লেখ করেছেন। তবে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা চলছে। একাংশের মতে, কর্পোরেট জগতে উচ্চ বেতনের নিরাপত্তা পরামর্শদাতা বা চিফ সিকিউরিটি অফিসার হিসেবে কাজের সুযোগ এখন অনেক আইপিএস অফিসারকেই আকৃষ্ট করছে। আবার কারও মতে, দিল্লিতে পোস্টিংয়ের সময় পারিবারিক জীবন ও ব্যক্তিগত সময়কে অগ্রাধিকার দিতেই এই সিদ্ধান্ত। মধ্যপ্রদেশে প্রাক্তন আমলাদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার নজির থাকলেও, এ বিষয়ে অভিষেক তিওয়ারি এখনও সম্পূর্ণ নীরব।
রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত এক আইপিএস অফিসারের এমন আকস্মিক প্রস্থান প্রশাসনিক ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ ও বদলে যাওয়া পেশাগত অগ্রাধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।
