এহেন চরম নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল প্রকাশ্য দিবালোকেই, বৃহস্পতিবার দুপুরে দামোহ জেলার সামান্যা গ্রামে। নিহত কিশোরের নাম ভরত বিশ্বকর্মা। পুলিশ জানিয়েছে, দিদির শ্বশুরবাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিল আর্থখেড়া গ্রামের বাসিন্দা ভরত। তাঁর সঙ্গে ছিল ভাই বিজয় বিশ্বকর্মা। অভিযোগ, সেই সময় গুড্ডা পটেল নামে সেই গ্রামেরই এক যুবক ভরতকে পিছন থেকে আক্রমণ করে। বিজয়ের দাবি, একটি লোহার রড দিয় ভরতের মাথায় আঘাত করে গুড্ডা। তার পর হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে দেয় ভরতের মাথা। বিজয় কোনওক্রমে সেখান থেকে বেঁচে পালায়! সে-ই গ্রামবাসীদের খবর দেয়। বিজয়ের অভিযোগ, ভরতকে খুনের পর তাঁর রক্ত ও মাংস খায় অভিযুক্ত।
advertisement
খুন করার পর পাশের মাঠে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। পুলিশ তাকে ধাওয়া করে। কিন্তু হাতের রক্তমাখা হাতুড়ি দিয়ে সে পুলিশদেরও ভয় দেখায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অভিযুক্তের অতীতেও ক্রাইম রেকর্ড রয়েছে। দুই দশক আগে নিজের স্ত্রীকেও খুন করেছিল অভিযুক্ত বিজয়। জেল খেটে দুই বছর আগেই ছাড়া পেয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত যুবকের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে জেরা করা হচ্ছে।
