ওই দিনমজুর শিবধনি লোকাল18-এর সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন যে, সোনভদ্রর ঘোরাওয়ালে ব্যাটারি লোডিং আর আনলোডিং-এর কাজ তিনি করতেন। মালিক তাঁদের বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন আর ৮ বছর পর্যন্ত কাজ করিয়েছেন। সেখানে কাজ করার সময় মালিক তাঁদের বলেছিলেন যে বেতন অ্যাকাউন্টে আসবে ৷ এই কথা বলেই অ্যাকাউন্ট খুলিয়েছিলেন। একটা অ্যাকাউন্ট কোটাক মহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের আর আরেকটা অ্যাকাউন্ট উৎকর্ষ ব্যাঙ্কে খোলা হয়েছিল। অ্যাকাউন্ট খোলার পর তাঁরা আবার গিয়ে কাজ করতে থাকেন।
advertisement
মন্দার কথা বলে বের করে দিল
শিবধনি আরও জানিয়েছেন, ‘‘৮ বছর কেটে যাওয়ার পর মালিক কাজের মধ্যে মন্দার কথা বলে বের তাঁদের বের করে দেন। আমরা মুম্বই চলে গিয়েছি। প্রায় ৬ মাস ধরে আমাদের বাড়িতে নোটিস আসছে। যখন নোটিস নিয়ে মালিকের কাছে গিয়েছিলাম, তখন তিনি নোটিস নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন এবং দেখে নেওয়ার কথা বলেছেন। তবে, নোটিসের উত্তর না দেওয়ায় কিছুদিন আগে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা এসে জানান আমাদের অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে !’’
আরও পড়ুন– ‘নেপাল, ভুটান, এবং…’: বাংলাদেশের অর্থনীতি বোঝাতে জুড়লেন ‘সেভেন সিস্টার্স’-কে !
শিবধনির কথায়, ‘‘মোট ১৭ কোটি ৪০ লাখ ১২ হাজার ২০৭ টাকার নোটিস এসেছে। আমরা এসপি-র কাছে এসেছি এবং চিঠি দিয়েছি। আমার কাঁচা বাড়ি আছে এবং জমিও নেই। ৮ হাজার টাকা মাসে চাকরি করে পরিবার চালাতাম।এখন আমরা খুবই বিপদে আছি এবং আইনি ঝামেলার জন্য কোর্ট থেকে বাড়ি আর বাড়ি থেকে আদালত দৌড়তে। যেখানে কাজ করতাম, সেখানেই মালিকের বাড়িতে থাকতাম। এখন মালিক কিছুই বলছেন না এবং সাহায্য করতেও রাজি নন। আপাতত পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে।’’
