স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, চিন্তা বা আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। সরকার সবরকম সতর্কতা অবলম্বন করছে। তাঁর ভাষায়, '' শিশুর রক্তের নমুনা পুণের গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছিল গত ৫ ডিসেম্বর। ৮ ডিসেম্বর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। রক্তের তিনটি নমুনা পাঠানো হয়েছিল। যার মধ্যে দু’টি নেগেটিভ এবং একটি পজিটিভ ধরা পড়ে।''
সংক্রমিত অ্যাডিস মশার কামড় থেকে জিকা ভাইরাস ছড়ায়। এর আগে কেরল, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশে জিকা ভাইরাসের সন্ধান মিলেছিল, তবে কর্নাটকে এই প্রথম। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, '' রাজ্যে চিকুনগুনিয়া এবং ডেঙ্গির পরীক্ষা চলছিল। সাধারণত, সেই-সব নমুনার ১০ শতাংশ পুণের গবেষণাগারে পাঠানো হয়। নমুনাগুলির মধ্যে একটি রিপোর্ট জিকা ভাইরাস পজিটিভ আসে।'' তিনি আরও বলেন, '' সরকার সতর্ক রয়েছে। সংক্রমণ নিয়ে কোনও সন্দেহ হলেই যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, রায়চূড় ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'' তিনি এও জানান, আক্রান্ত শিশুটির বিদেশে যাওয়ার কোনও তথ্য নেই।
advertisement
