৬০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তার একটি ভিডিওও সামনে এসেছে তিনি তাঁর সিনিয়রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুরো সামাজিক কল্যাণ বিভাগে হুলস্থুল সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর অনেক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।
এই ঘটনা ঘটেছে পাওগড়া, তুমকুরু জেলায়। সামাজিক কল্যাণ বিভাগের সহকারী পরিচালক মল্লিকার্জুনকে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর নিজ অফিসে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মল্লিকার্জুনের আগামী সপ্তাহে মার্চের শেষ দিনে অবসর নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে তিনি এই ভয়াবহ পদক্ষেপ নেন। ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠায় এবং তদন্ত শুরু করে।
advertisement
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, মল্লিকার্জুন আত্মহত্যার আগে তাঁর বন্ধুদেরকে হোয়াটসঅ্যাপ-এ একটি ভিডিও পাঠিয়েছিলেন। ভিডিওতে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, তিনি আত্মহত্যা করতে চলেছেন। ভিডিওতে তিনি তাঁর জয়েন্ট ডিরেক্টর কৃষ্ণাপ্পার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হেনস্থা এবং মানসিক চাপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। মল্লিকার্জুন জানান, এই কারণেই তাঁকে এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।
ভিডিওতে মল্লিকার্জুন অত্যন্ত আবেগপ্রবণভাবে প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর পরিবার সর্বদা তাঁর পাশে ছিল, কিন্তু অফিসের বস-রা তাঁর আত্নবিশ্বাস ভেঙে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ঈশ্বর তাকে শাস্তি দেবেন, আইনও তাঁর হিসেব নেবে।” পাশাপাশি তিনি অনুরোধ করেছেন যে তাঁর পরিবারের কারও কোনও প্রতিশোধমূলক মনোভাব রাখার প্রয়োজন নেই। এই শেষ বার্তাটি এখন পুরো ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন- উল্টে গেল স্পিডবোট ! অল্পের জন্য রক্ষা, মলদ্বীপে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান
মল্লিকার্জুনের স্ত্রী অভিযোগের ভিত্তিতে পাওগড়া টাউন পুলিশ-এ জয়েন্ট ডিরেক্টর কৃষ্ণাপ্পার বিরুদ্ধে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচনা মামলার অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
