কর্ণাটকের কুর্সি নিয়ে টানাপড়েনের কথা উড়িয়ে দিয়ে উপ মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার বলেন, ‘‘যদি হাইকম্যান্ড বলে অপেক্ষা করব, আমি আগেও অপেক্ষা করেছি, আবারও করব৷ হাইকম্যান্ড আমাকে যা বলবে, তাই করব৷ যদি হাইকম্যান্ড আমাদের দিল্লি যেতে বলে, আমরা দিল্লি যাব৷’’
শিবকুমারের মতোই এদিন দলগত ঐক্যের কথাই তুলে ধরতে চেষ্টা করেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিড্ডারামাইয়াও৷
advertisement
সি়ড্ডারামাইয়া বলেন, ‘‘ডিকে এস এবং আমি ঐক্যবদ্ধ৷ আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই৷ হাইকম্যান্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে আমরা দু’জনে তা মেনে চলব৷ ২০২৮ এর নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা একসঙ্গে কাজ করব৷’’
২০২৩ সালে কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পরে যে প্রশ্নে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কংগ্রেসের অন্দরমহল, তা হল মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? একদিকে যেমন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সিড্ডারামাইয়া কিছুতেই ক্ষমতা ছাড়ছিলেন না, অন্যদিকে, কংগ্রেসের জয়ের পিছনে থাকা অন্যতম কারিগর শিবকুমারও নিজের হকের হিসাবটা বুঝে নিতে চাইছিলেন৷ যখন কোনও কিছুতেই সামাল দেওয়া যায়নি, সমস্যা মিটিয়েছিল একটা মাত্র ফোন কল৷ যা শিবকুমারকে করেছিলেন সনিয়া গান্ধি৷
কংগ্রেসের অন্দর সূত্রের খবর, সনিয়ার কথাতেই সেই সময় ৫ বছরের মুখ্যমন্ত্রিত্ব আড়াই-আড়াই বছর করে ভাগাভাগি করে নিতে রাজি হয়েছিলেন শিবকুমার৷ চোখের জলে ছেড়ে দিয়েছিলে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবি৷ কিন্তু, নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও দেখা যায়, সিড্ডারামাইয়া ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে উচ্চবাচ্য করছেন না কিছুতেই৷ ফের শুরু হয় দ্বন্দ্ব টানাপড়েন৷
এমন পরিস্থিতিতে সনিয়া ও রাহুল গান্ধির সঙ্গে কথা বলে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের আগেই কর্ণাটক কংগ্রেস দ্বন্দ্ব পর্বের সমাধান খুঁজবেন বলে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে৷ এরমধ্যে প্রকাশ্যে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের বিষয় না আনার বিষয়েও রাজি হয়েছেন শিবকুমার-সিড্ডারামাইয়া দুপক্ষই৷
