সোশ্যাল মিডিয়া ‘X’- এর একটি পোস্টে চম্পাই সোরেন লিখেছেন, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের প্রিয় নাতি বীর সোরেন ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অকাল মৃত্যুবরণ করেছেন’৷
তিনি লিখেছেন, ‘হিমাচল প্রদেশের মানালিতে হঠাৎ করে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়৷ তারপরে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কিন্তু ভাগ্যের অন্য পরিকল্পনা ছিল। বীরের চলে যাওয়ায় আমাদের পরিবার ভেঙে পড়েছে। গভীর শোকে, সোরেন পরিবার’৷
advertisement
হোমস্টেতে কী ঘটেছিল?
ইটিভি ভারতের এক প্রতিবেদন অনুসারে, বীর গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুই বন্ধুর সঙ্গে ছুটি কাটাতে মানালি গিয়েছিলেন। তাঁরা সিমসা এলাকার একটি হোমস্টেতে থাকছিলেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর বন্ধুরা সোলাং এবং সেথান অঞ্চল ঘুরে দেখতে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু ওইদিন বীর হোমস্টেতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
দুপুর ১২:৩০ টার দিকে যখন তাঁর বন্ধুরা ফিরে আসেন, তাঁরা বীরকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁকে জাগিয়ে তোলা হলে বীর প্রবল মাথার যন্ত্রণার অভিযোগ তোলেন৷ বীরের বন্ধুরা তখন,অনলাইনে কিছু ওষুধ অর্ডার করেন৷
সেই ওষুধ দেওয়া হলে বীর আবার ঘুমিয়ে পড়েন৷ কিন্তু দুপুর ২টোর দিকে তাঁর বন্ধুরা তাঁর ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। ভেতরে ঢুকে দেখেন বীর বিছানায় অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে৷
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রতিক্রিয়া
খবরে বলা হয়েছে, বীরকে তাঁর বন্ধুরা দ্রুত মানালির সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁরা বলেছে যে, সেখানে নিয়ে যাওয়ার সময় বীরের মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছিল৷ চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচানোর জন্য সিপিআর-ও দেন৷ কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি৷
বীরের মৃত্যুর খবর পেয়ে মানালি পুলিশ দ্রুত হোমস্টেতে পৌঁছে ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে নেয়। কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে শরীরে কোনও দৃশ্যমান বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
মানালির ডিএসপি কেডি শর্মা ইটিভি ভারতকে বলেছেন, ‘‘ময়নাতদন্ত চলছে, এবং রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পরিবারকে জানানো হয়েছে, এবং ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে৷’’
