কীভাবে আগুন লাগে? ঘটনাটি ঘটে বুধবার ভোর ৩টা-৪টার নাগাদ। এটি ঘটে বেঙ্গলি স্কোয়ারের কাছের একটি কলোনিতে। আগুন লাগে শর্ট সার্কিটের ফলে৷ এবং তাও আবার ইভি (ইলেকট্রিক ভেহিকেল) চার্জে থাকা অবস্থাতেই। হ্যাঁ, যদি ইভি-টি (ইলেকট্রিক ভেহিকেল) সারারাত চার্জে রাখা না হতো এবং শর্ট সার্কিট হত না, এবং এই ভয়াবহ ঘটনা এড়ানো যেত৷
advertisement
পুগালিয়া পরিবারটি তাঁদের বাড়ির বাইরে পার্ক করা ইলেকট্রিক গাড়িটি চার্জে দিয়েছিল। মঙ্গলবার রাত থেকে চার্জ হচ্ছিল। চার্জে দিয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। হঠাৎ, বুধবার ভোর ৩-৪টার দিকে চার্জিং পয়েন্টে একটি শর্ট সার্কিট হয়। ইলেকট্রিক গাড়িটি সঙ্গে সঙ্গে আগুনের গোলায় পরিণত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভিতরে রাখা গ্যাস সিলিন্ডারগুলিতে আগুন ধরলে সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ হয়৷ তার শব্দ ইন্দোর শহর জুড়ে শোনা যায়। বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। বাড়ির একটি অংশ ধসে পড়ে। ভিতরে যারা ঘুমিয়ে ছিলেন, তাঁরা কেউই সামলে ওঠার সুযোগ পাননি। জানা গেছে, পরিবারটি একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিল এবং সেখানে অনেক আত্মীয়-স্বজন এসেছিলেন।
এই দুর্ঘটনায় সাতজন জীবন্ত দগ্ধ হয়েছেন। আরও তিনজন পালাতে সক্ষম হলেও গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে মানুষের পালানোর কোনও সুযোগই ছিল না। সরু রাস্তায় প্রথমে দমকলের ইঞ্জিন ঢুকতে সমস্যা হয়৷ যদিও পরে আগুন নেভানো সম্ভব হয়৷ ইতিমধ্যে, পুলিশ ও প্রশাসনিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে । পুলিশ জানিয়েছে যে প্রাথমিক তদন্তে শর্ট সার্কিট এবং গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণকেই মূল কারণ হিসেবে উঠে আসছে। বৈদ্যুতিক গাড়িটির ব্যাটারিও এই আগুনে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় ইন্দোরের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত।
