বৈঠকে সব সদস্যকে স্বাগতম জানিয়ে শ্রী চেতন কুমার শ্রীবাস্তব সবার প্রতি এই আহ্বান জানান যে, তাঁরা যেন রেলওয়ে সংক্রান্ত পরিষেবাগুলির প্রতিটি দিক নিয়ে নিজস্ব পরামর্শ প্রদান করেন এবং তিনি এই নিশ্চয়তা দেন যে সেই পরামর্শগুলিকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে যথা বিহিত গুরুত্ব প্রদান করা হবে।
আপনার প্রস্রাবে কি ‘ফেনা’ হয়? শরীরে কী হয়ে আছে জানেন…? এড়িয়ে গেলে কী বিপদ হবে? জেনে নিন!
advertisement
মাছ নয়, ‘মহৌষধ’! ভাজা করে খেলেই রক্ত থেকে নিংড়ে বেরোবে ‘Sugar’! ভিটামিন ‘ডি’ ভরপুর…কমায় ক্যানসার!
তিনি এ কথাও জানান যে, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির রাজধানীগুলিতে রেল সংযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করার জন্য যোগাযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের কাজ চলছে। সেই সঙ্গে, ছ’টি নতুন গতি শক্তি কার্গো টার্মিনাল খোলা হচ্ছে এবং স্থানীয় পণ্য বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সুবিধার জন্য এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য বিভিন্ন পণ্য শেড-এ দিন-রাত কাজ করার সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
অন্য দিকে, গ্রাহকদের জন্য অনুকূল বেশ কিছু উদ্যোগও হাতে নেওয়া হয়েছে। জেনারেল ম্যানেজারএ কথাও উল্লেখ করেন যে, ২০২৫ সালের মধ্যে রেলওয়ের ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকীকরণ হয়ে যাবে, ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’-র লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতি রেখে নগদ বিহীন লেনদেনকে সক্রিয় করার জন্য গোটা উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের টিকিট কাউন্টারগুলিতে কিউআর কোড মেশিন বসানো, এবং বিভিন্ন স্টেশনে ক্যাটারিং পরিষেবাকে উন্নত করা হয়েছে।
শ্রী চেতন কুমার শ্রীবাস্তব এ কথাও সম্মানীয় সদস্যদের জানিয়েছেন যে, ইন্ট্রুসন ডিটেকশন সিস্টেম সফল ভাবে বাস্তবায়িত করা হয়েছে। যা রেলওয়ে ট্র্যাকে হাতির দুর্ঘটনা রোধ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বৈঠকে আরও বেশ কিছু জরুরি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা হয়েছে। যেমন, লোকাল ট্রেন পরিষেবা ফের চালু করা, স্টপেজ-এর সংখ্যা বাড়ানো, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি করা, এবং স্টেশনগুলিতে ও চলন্ত ট্রেনগুলিতে সুরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করা। আরও কয়েকটি জরুরি বিষয়ের মধ্যে ছিল নতুন রেলওয়ে ট্র্যাক নির্মাণ, নতুন আরইউবি/আরওবি ও এফওবি নির্মাণ, সেই সঙ্গে এলসি গেট ইন্টারলকিং করা ও এলসি গেট অপসারণ।
ভারতীয় রেল বেশ কিছু কাঠামো সম্পন্ন প্ল্যাটফর্ম স্থাপন করেছে। যেমন ডিভিশনাল রেলওয়ে ইউজার্স’ কলসাল্টেটিভ কমিটি (ডিআরইউসিসি) ও জোনাল রেলওয়ে ইউজার্স’ কলসাল্টেটিভ কমিটি (জেডআরইউসিসি)। এই কমিটিগুলি নিয়মিত ভাবে যাত্রী পরিষেবা, পরিচ্ছন্নতা, ক্যাটারিং, ও সময়ানুবর্তিতা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়গুলি নিয়ে বৈঠকের আহ্বান জানায়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও অংশীদারদের মধ্যে অনবরত মত বিনিময়ের ব্যবস্থা করে দেয় এই কমিটিগুলি। এই ভাবে রেলওয়ে পরিষেবা নিশ্চিত ভাবে অনবরত উন্নত হতে থাকে।
জোনাল রেলওয়ে ইউজার্স’ কনসাল্টেটিভ কমিটি (জেডআরইউসিসি)-র ৯৭তম বৈঠক মালিগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী চেতন কুমার শ্রীবাস্তব এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যা সুচারূরুপে পরিচালনা করেন ডিজিএম এবং জেডআরইউসিসি-এর সচিব শ্রী অনুরাগ আগরওয়াল। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার সাংসদ ডাঃজয়ন্ত কুমার রায় (জলপাইগুড়ি) ও শ্রী খগেন মুর্মু (মালদহ উত্তর), বিধায়কদ্বয় শ্রী রূপজ্যোতি কুর্মি (মরিয়নি) ও শ্রী ইআর. তাপি দরং (পাসিঘাট পূর্ব) এবং সাংসদদের প্রতিনিধিগণ, রাজ্য সরকারের বরিষ্ঠ আধিকারিকগণ এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের অন্যান্য সদস্যরা।
