অনুমোদিত কাজটি পূর্ব রেলের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলি যেমন হাওড়া–সাঁতরাগাছি, লিলুয়া–বেলুড় মঠ, তারকেশ্বর–গঘাট, ময়নাপুর–বিষ্ণুপুর, রামপুরহাট–দুমকা, আজিমগঞ্জ–মুর্শিদাবাদ, লক্ষ্মীকান্তপুর–নামখানা, কাঁকুড়গাছি–বালিগঞ্জ, কল্যাণী–কল্যাণী সীমান্ত, কৃষ্ণনগর জংশন–আমঘাটা, কৃষ্ণনগর সিটি–লালগোলা, মুর্শিদাবাদ–আজিমগঞ্জ, আসানসোল–বার্নপুর, বড়াচক–হীরাপুর এবং বক্তারনগর-অন্ডাল বিভাগগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
আরও পড়ুন: ‘বাবার অনেক ধার স্যার…’, অক্ষয়ের পা জড়িয়ে যুবতীর কাতর আর্জি! তারপর? দেখুন ভাইরাল ভিডিও
এই কাজটি “ভারতীয় রেলের অবশিষ্ট রুটগুলিতে লং-টার্ম ইভোলিউশন (এলটিই) কমিউনিকেশন ব্যাকবোন সহ কবচ স্থাপন (আম্ব্রেলা ওয়ার্ক ২০২৪-২৫)” শীর্ষক বৃহত্তর প্রকল্পের একটি অংশ, যা ২০২৪-২৫ সালের ওয়ার্কস, মেশিনারি ও রোলিং স্টক প্রোগ্রামের (পিঙ্ক বুক) অধীনে মোট ২৭,৬৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অনুমোদিত হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে, পূর্ব রেলের জন্য ৮৯৬ কোটি টাকার একটি উপ-প্রকল্প বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।
advertisement
এই কাজটি সম্পন্ন হলে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্যে পূর্ব রেলের সম্পূর্ণ রেল নেটওয়ার্ক কবচ ব্যবস্থার আওতায় চলে আসবে। এই উন্নত দেশীয় সুরক্ষা প্রযুক্তির বাস্তবায়ন ট্রেন দুর্ঘটনা এবং অতিরিক্ত গতি প্রতিরোধ করে যাত্রীদের নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং এই অঞ্চলে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ট্রেন চলাচলকে আরও শক্তিশালী করবে।
আরও পড়ুন: মাঘে কি ফের জাঁকিয়ে শীত পড়বে? নাকি বাংলায় এবারের মতো ঠান্ডা শেষ? আবহাওয়ার বড় আপডেট
কবচ (Kavach) হল ভারতীয় রেলের একটি দেশীয় প্রযুক্তি, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেনের সংঘর্ষ প্রতিরোধ করে এবং নিরাপত্তা বাড়ায়; এটি চালককে সতর্ক করে বা প্রয়োজনে নিজে থেকেই ব্রেক কষে ট্রেন থামিয়ে দেয়, সিগন্যাল অমান্য করা বা অন্য ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষের ঝুঁকি এড়ায়, যা মূলত আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৈরি হয়েছে। এই প্রযুক্তি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে ট্রেনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং ট্রেন কলিশন অ্যাভয়ডেন্স সিস্টেম (TCAS) নামেও পরিচিত ছিল।
