ওই অপারেশনে ভারত পাকিস্তানের ছ’টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল বলে আগেই জানিয়েছিলেন এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে মুখ খুললেন দেশের সেনাবাহিনীর প্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী।
আইআইটি মাদ্রাজে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, চারদিনের এই সংঘর্ষে ইসলামাবাদ শুধু আসীম মুনিরকে পাঁচ তাঁরা জেনারেল করে ফিল্ড মার্শালে উন্নীত করেছে। কিন্তু, এরফলে পাকবাহিনীর মনোবল ভেঙে গিয়েছে বলেই দাবি দ্বিবেদীর।
advertisement
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যদি আপনি কোনও পাকিস্তানিকে জিজ্ঞেস করেন এই যুদ্ধে তাঁরা জিতেছে কিনা। সে বলবে যেহেতু আমার সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল হয়েছে তাই অবশ্যই আমরাই জিতেছি। নয়ত সে ফিল্ড মার্শাল কেন হত!”
আরও পড়ুন: রেলের ইঞ্জিনে টয়লেট নেই! চালকেরা কোথায় বাথরুমে যান? মলমূত্র ত্যাগ কোথায় করতে হয়?
কিন্তু, অপারেশন সিঁদুরে যে ভারত পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করেছিল সে কথাও জানান তিনি। আর এর জন্য কেন্দ্র যে ভাবে তিন বাহিনীকেই ‘ফ্রি হ্যান্ড’ অর্থাৎ ‘স্বাধীনতা’ দিয়েছিল তারও প্রশংসা করেন তিনি।
তিনি বলেন, “গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে যে ঘটনা ঘটে তাতে আমরা স্তম্ভিত হয়ে যাই। ২৩ তারিখ আমরা সকলে একসঙ্গে বৈঠকে বসি। সেখানেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন অনেক হয়েছে।”
আরও পড়ুন: গত ৭ বছরে রক্ষা ১৪৪০ নবজাতকের প্রাণ! নবাবের শহরে সঞ্জীবনী সুধার ভান্ডার এই মিল্ক ব্যাঙ্ক
তিনি আরও বলেন, ” আমরা তিন দলের প্রধানই এই ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম কিছু একটা করতে হবে। এরপর যখন কেন্দ্র থেকে আমাদের সব বিষয়ে স্বাধীনতা দেওয়া হয় তখন কাজটা আরও সহজ হয়ে যায়।”
রাজনৈতিক দক্ষতা এবং দৃঢ়তা ঠিক কতটা কার্যকর তা অপারেশন সিঁদুরই প্রমাণ বলে দাবি করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দৃঢ়তা এবং স্বাধীনতা ছিল বলেই আমরা বাধাহীন ভাবে আমাদের কাজ করতে পেরেছিলাম। কম্যান্ডার-ইন-চিফ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে। সেখানে কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হয়নি।”
