সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালির ঠিক আগে আটটি এলপিজি ট্যাঙ্কার অপেক্ষা করছে। এই জাহাজগুলির চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারত সরকার। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দাবি, ইরানও এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছে। একই সঙ্গে ভারতে থাকা ইরানি নাবিকদের নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তেহরানের। বর্তমানে প্রায় ২৫০ জন ইরানি নাবিক ভারতে রয়েছেন এবং তাঁরা দেশে ফেরার অপেক্ষায়। তাঁদের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এবং ফেরানোর বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।
advertisement
ভারতের ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ’ ইতিমধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে, যাতে দেশে এলপিজি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন না ঘটে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে রান্নার গ্যাসের সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা চলছে।
ভারতে এলপিজির চাহিদার প্রায় ৬০ থেকে ৬৭ শতাংশ আমদানির উপর নির্ভরশীল। এর বড় অংশই সৌদি আরব ও কাতারের মতো উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে হরমুজ প্রণালি হয়ে ভারতে আসে। ফলে এই রুটে কোনও বাধা তৈরি হলে দেশের এলপিজি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে।
এলপিজি ট্যাঙ্কারগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক স্তরেও আলোচনা চালাচ্ছে ভারত। সূত্রের খবর, এই বিষয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে একাধিকবার ফোনে কথা হয়েছে।
