সূত্রের খবর, দেশজুড়ে পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে থাকা অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের দোকানের মাধ্যমে যাতে সহজেই মানুষ হোমিওপ্যাথিক ওষুধও হাতে পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনার করা হয়েছে৷ এই ব্যবস্থা চালু করতে গেলে নিয়মে কী কী পরিবর্তন দরকার, তা খতিয়ে দেখছে নিয়ামক সংস্থা ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশেন (ডিএসসিও)৷
তবে এই প্রস্তাব এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে৷ ডিএসসিও-র পক্ষ থেকে ড্রাগস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড (ডিটিএবি)-এর কাছে অনুমোদনের জন্য এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে৷
advertisement
প্রত্যন্ত এবং ছোট এলাকার মানুষও যাতে সহজে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করার জন্য অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের দোকানগুলিকেই কাজে লাগানো সম্ভব৷
বর্তমানে যে নিয়ম রয়েছে, তাতে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ বিক্রেতারাও হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিক্রি করতে পারেন৷ তবে তা শুধুমাত্র সিলড আকারেই বিক্রি করতে হবে এবং নির্দিষ্ট কিছু শর্তপূরণ করলেই তা করা যাবে৷৷ তবে যেহেতু হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়েছে, তাই সুযোগ থাকলেও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের দোকানে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থা সাফল্য পায়নি৷ ওষুধ মজুত, সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত নিয়ম আরও সরল করে এবার হোমিওপ্যাথিক ওষুধকে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নিল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশেন (ডিএসসিও)৷ তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ডিটিএবি৷
