অভিযোগ, লাইব্রেরিতে যাওয়ার সময় নীতীশ কুমারকে একদল ব্যক্তি অপহরণ করে। তাঁকে মারধর করে মাদক খাইয়ে অচেতন করা হয়। পরে তাঁকে মোরওয়ার একটি মন্দিরে নিয়ে গিয়ে চক্রাজা আলী গ্রামের বাসিন্দা শঙ্কর রায়ের মেয়ে লক্ষ্মী কুমারীর সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি গত ৭ ফেব্রুয়ারি ঘটেছে বলে দাবি।
advertisement
‘সাত সমুদ্র পেরিয়ে তোমায় অনুসরণ করেছি’! রাঁচির কনে ও জার্মানির বরের প্রেম কোথায় গড়াল জানেন?
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অর্ধচেতন অবস্থায় বিয়ের পিঁড়িতে মাথা নত করে বসে রয়েছেন নীতীশ। বরমালার সময় অন্যদের সাহায্যে তাঁর হাত ধরে কনের গলায় মালা পরানো হচ্ছে। এমন অবস্থাও দেখা যায়, তিনি নিজে মালা ধরতেও পারছিলেন না।
নীতীশের অভিযোগ, বিয়ের পর তাঁকে শ্বশুরবাড়ির একটি ঘরে আটকে রাখা হয়, যাতে তিনি সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে না পারেন। ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সমস্তিপুর পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। পাটোরি থানার ইনচার্জ অনিল কুমার জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে এবং বিয়েটি সম্মতিতে নাকি জোর করে হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিহারের কিছু এলাকায় জোরপূর্বক বিয়ের এই প্রথা স্থানীয় ভাষায় ‘পাকদ্বা বিবাহ’ নামে পরিচিত। এই প্রথায় বর বা কনেকে অপহরণ করে জোর করে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ বহুবার সামনে এসেছে। তবে এই ঘটনায় নীতীশ কুমারের সঙ্গে অভিযুক্ত তরুণীর পূর্বপরিচয় বা সম্পর্ক ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
