এতগুলো মৃত্যু ঘিরে গ্রামবাসীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক৷ কারণ, মৃত্যুগুলি চলতি এক মাসের মধ্যেই ঘটেছে। বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, দূষিত পানীয় জলের প্রাদুর্ভাবের এই মৃত্যর জন্য দায়ী৷ তাঁদের অভিযোগ, একাধিক জায়গায় পানীয় জলের পাইমলাইন ভেঙে পড়ে রয়েছে৷ সেখান থেকে গোটা গ্রামে দূষণ ছড়াচ্ছে।
advertisement
তাদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও, জল সরবরাহের সমস্যার এখনও সমাধান হয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি তদন্তের জন্য একটি দল মোতায়েন করেছে। এখনও পর্যন্ত, ২১ জনের হেপাটাইটিস বি এবং সি পজিটিভ পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে।
জেলা চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ সতীন্দর বশিষ্ঠ নিশ্চিত করে জানিয়েছে, হেপাটাইটিসের সংক্রমণ অর্থাৎ, জন্ডিসের কারণেই পর পর মৃত্যু হয়েছে এত জনের৷ তবে তাঁর দাবি, মৃতের সংখ্যা ১৮ নয়, ৭৷
আরও পড়ুন: বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক! ‘কোনও কথায় বিশ্বাস করবেন না,’ সতর্ক করে দিল সুপ্রিম কোর্ট
গ্রামের প্রধান মহম্মদ ইসলাম জোর দিয়ে বলেন যে, এক মাসের মধ্যে রহস্যজনক জ্বরে নয়জন শিশুসহ ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন যে, হেপাটাইটিস বি এবং সি ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে এই মৃত্যু হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সাত থেকে আটজনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে, তবে প্রকৃত সংখ্যা ১৮ বলে গ্রাম প্রধান জানিয়েছেন।
জেলা ডেপুটি কমিশনার ডাঃ হরিশ কুমার বশিষ্ঠ এবং প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ সতীন্দর বশিষ্ঠ গ্রাম পরিদর্শন করে দেখেছেন৷ তাদের দল মেডিক্যাল চেকআপের ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে এবং হেপাটাইটিস বি এবং সি-এর ২১ জন পজিটিভ কেস শনাক্ত করেছেন।
