নগর থানার অন্তর্গত আমরথ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মৃতার নাম তরানা খাতুন (২৬)। অভিযোগ, তাঁর স্বামী ইরফান আনসারি গলা কেটে খুন করে তাঁকে। ঘটনার পর ইরফান আনসারি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। তবে শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
advertisement
সুপ্রিম রায় ‘অ্যান্টি-আমেরিকান’! ‘১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করছি!’ শুল্ক নিয়ে ফের ঘোষণা ট্রাম্পের
স্থানীয়দের দাবি, তরানা খাতুন সম্প্রতি তাঁর তৃতীয় কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। পুত্রসন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির তরফে প্রায়ই অশান্তি চলত। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈঠকও হয়, কিন্তু স্থায়ী সমাধান মেলেনি।
ঘটনার খবর পেয়ে মৃতার পরিবার পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসডিপিও। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক বিবাদ এবং পুত্রসন্তান না হওয়ার মানসিকতা থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পলাতক শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
