FSDA এবং মীরঠ পুলিশ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের প্রায় ৩৫ লাখ টাকার বিশাল মজুদ এবং বেশ কয়েকটি বিশেষ ইলেকট্রনিক প্রিন্টার উদ্ধার করেছে। এগুলিই মূলত মেয়াদ পরিবর্তন করে পুনরায় বাজারে ছাড়ার কাজে ব্যবহৃত হত।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের নাম করে প্রতারণা! ২৫ লাখ খোয়ালেন কৃষকরা
৫ নভেম্বর FSDA একটি নির্দিষ্ট স্থানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জমা করার খবর পায়। সরদানা এলাকার ইসলামাবাদে এক নির্জন বাড়িতে পৌঁছে ১৫০০ বর্গফুট জায়গার বাড়িতে প্রবেশ করে প্রচুর পরিমাণে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ আবিষ্কার কর পুলিশ। সহকারী ড্রাগ কমিশনার অরবিন্দ কুমার গুপ্তা জানান, “আমরা প্রায় ৯০ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, যার মধ্যে গর্ভধারণ কিট, রক্তচাপের ওষুধ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ রয়েছে, উদ্ধার করেছি।”
advertisement
আরও পড়ুন: বিদেশে চাকরির লোভ সামলান, না হলে এই যুবকদের মতো অবস্থা হতে পারে! বিস্তারিত জানুন
কীভাবে চলত এই প্রতারণা চক্র – গুপ্তা জানান, “এটি সম্পূর্ণরূপে বুঝতে আমাদের প্রায় ২৪ ঘন্টা সময় লেগেছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, চক্রটি দলবদ্ধভাবে কাজ করত—একটি দল মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করত এবং আরেকটি দল মেয়াদ পরিবর্তন করে পুনরায় বাজারে ছাড়ার দায়িত্বে ছিল।”
চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর, এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি – SP রুরাল রাকেশ কুমার জানিয়েছেন, “আমরা চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বাজারে পুনর্বিক্রয়ের পুরো চেনটি উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছি।”
ওষুধ ব্যবসায়ীদের সংগঠনের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হোক- মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের সন্ধান পাওয়ার পর মীরঠের বাসিন্দা ও ওষুধ ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মীরঠ কেমিস্ট এবং ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নরেশ চাঁদ গুপ্তা বলেছেন, “এটা জঘন্য অপরাধ৷ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।”
মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ শরীরে কেমন ক্ষতি করে – বিশেষজ্ঞদের মতে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ গ্রহণের ফলে রাসায়নিক পরিবর্তন ও কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। কিছু ওষুধ কার্যক্ষমতা হারাতে পারে, অন্যগুলো ক্ষতিকর হতে পারে।
