আরও পড়ুন: বিজেপির হাত ধরে বাংলায় আগমন 'হোটেল সংস্কৃতি'? রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা
বিগত অন্য বছরের মতো এবছরও নিজস্ব পোর্টালের মাধ্যমেই অ্যাডমিশন করাবে কলেজগুলো। তবে ভর্তি প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনার উদ্দেশ্যে অফলাইনে কোনরকম কাউন্সিলিং সেশন আয়োজন করতে পারবে না কলেজগুলি। সেটিও অনলাইনে করতে হবে কলেজগুলিকে। তবে সরকারি নির্দেশিকার কিছুটা উল্টো পথে হেঁটে নিজেদের প্রচলিত প্রবেশিকা পরীক্ষাতেই আস্থা রাখছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। শুধুমাত্র কলা বিভাগের দুটি বিষয় ছাড়া সমস্ত বিষয়ের ক্ষেত্রেই প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য। শুধুমাত্র ইতিহাস এবং সংস্কৃত বিষয়ের ক্ষেত্রে বোর্ড এক্সাম এর নম্বরের ওপরই মেধাতালিকা তৈরি করবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বাকি বিষয়গুলির মেধাতালিকার ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ 'গ্রেড' নির্ভর করবে প্রবেশিকা ফলাফলের উপর এবং বাকি ৫০ শতাংশ নির্ভর করবে 'বোর্ড এক্সাম'-এর ফলাফলের উপর। ফর্ম ফিলাপের শেষ দিনের এক সপ্তাহের মধ্যেই হবে সমস্ত বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষা। তবে মেধাতালিকা প্রকাশ একসঙ্গে করা হবে বলে খবর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্রে। তবে দুটি বিষয়ের পরীক্ষা না হওয়ার সিদ্ধান্তে অখুশি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র সংগঠনগুলি।
advertisement
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদে কাকে ভোট? দিল্লি পৌঁছেও ধোঁয়াশা বজায় রাখলেন শিশির- দিব্যেন্দু
শেষমেশ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এবছর প্রবেশিকা না নেওয়ার সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়েছে ভর্তির প্রক্রিয়া। চলবে আগামী ৫ অগস্ট পর্যন্ত। কোন বিষয়ে কত শতাংশ মার্কস থাকলে আবেদন জানানো যাবে তার বিস্তারিত জানানো হয়েছে প্রেসিডেন্সির ওয়েবসাইটে।
