মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্নগুলির জবাব দিয়েছেন এবং স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে আইনের শাসন কার্যকর হবে এবং কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে কমিশনের হাতে থাকা আইনগত বিধান ও ক্ষমতা অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: কতদিন ‘বাঁচবেন’? আয়ুর বড় ‘ক্লু’ লুকিয়ে রয়েছে নখেই! নিজে দেখেই বুঝতে পারবেন কীভাবে? জানুন
advertisement
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ, টিএমসি বিধায়করা প্রকাশ্যে কমিশনের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে সিইসির বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার করছেন। হুমকি দিয়েছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কর্মকর্তাদেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। টিএমসি কর্মী ও বিধায়কদের হাতে ইআরও (এসডিও/বিডিও) দফতরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
কমিশন জানিয়েছে, এসআইআর কাজের সঙ্গে যুক্ত কোনও কর্মীর উপর কোনও ধরনের চাপ, বাধা বা হস্তক্ষেপ কেউই করতে পারবেন না। বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) প্রাপ্য ভাতা অবিলম্বে মেটান৷ বর্তমানে প্রতিটি বিএলও-র জন্য নির্ধারিত ১৮,০০০ টাকার মধ্যে মাত্র ৭,০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে৷
রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত মাপকাঠি মেনেই (জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের এসএম/এসডিও/রেভিনিউ ডিভিশনাল অফিসার) রিটার্নিং অফিসার (আরও) নিয়োগের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য কমিশন ২০.০১.২০২৬ তারিখে অনুরোধ জানায়। বর্তমানে ৬৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে শুধুমাত্র এসডিও/এসডিএম পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে রয়েছেন।
ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারদের বদলি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করেই তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারকে বদলি করেছে। নির্বাচন কমিশন ২৭.০১.২০২৬ তারিখে ওই বদলির আদেশ বাতিল করার অনুরোধ জানায়। তবে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি।
কমিশনের আরও অভিযোগ, সরকার চারজন আধিকারিক (দু’জন ইআরও এবং দু’জন এইআরও) এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেনি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়া এবং অননুমোদিত ব্যক্তিদের সঙ্গে লগ-ইনের তথ্য ভাগ করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের চিঠি রয়েছে ০৫.০৮.২০২৫ ও ০২.০১.২০২৬ তারিখের।
