ফেব্রুয়ারির শুরু দিকে বারেবারে কেঁপেছে সিকিম। জানা যাচ্ছে প্রায় ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ জায়গায় এই কম্পন অনুভূত হয়েছিল। একদিনে কখনও ১১টিরও বেশি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দিন কয়েক আগে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একাধিক বার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। দফায় দফায় সিকিমের বিভিন্ন অংশে ভূমিকম্প হয়েছে। সে সময় ১৩ বার ভূমিকম্প হয়। সে সময় ভূমিকম্পের উৎসস্থল রাবাংলা থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ফের ভূমিকম্প হয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের ওই ছোট্ট রাজ্যে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬।
advertisement
বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, এটা ‘ফোর শক’ হতে পারে। এই অবস্থার মধ্যে ফের ভূমিকম্প, যে চিন্তার তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বহু পর্যটকই এখন পাহাড়ে আছেন। এই ঘটনায় তাঁরাও চিন্তিত। ৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতেও ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দার্জিলিং৷ কম্পন অনুভূত হয়েছে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়৷ তবে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমে৷ ফলে গ্যাংটক, পেলিংয়ের মতো সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশে কম্পনের তীব্রতা ছিল তুলনামূলক ভাবে বেশি৷ ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমের গ্যালশিং-এ ভূপৃষ্ঠ থেকে দশ কিলোমিটার গভীরে৷ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪.৫৷ যদিও খুব অল্প সময়ের জন্যই এই কম্পন অনুভব করা গিয়েছে৷
