পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ বছর বয়সী ওই তরুণী একটি আইটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। ২০২২ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। পরে স্বামী কানাডায় কাজের সূত্রে চলে যান এবং স্ত্রীও সেখানে যোগ দেন। কিন্তু দাম্পত্যে অশান্তির জেরে তরুণী ভারতে ফিরে আসেন এবং মহারাষ্ট্রে স্বামীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার মামলা দায়ের করেন। ২০২৪ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে তরুণী দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন।
advertisement
এদিকে, মায়ের মৃত্যুর পর ২০২৫ সালের মার্চে অভিযুক্ত ভারতে ফিরে আসে। গার্হস্থ্য হিংসার মামলার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিস জারি থাকায় পাসপোর্ট স্থগিত হয়ে যায় এবং সে আর কানাডায় ফিরতে পারেনি। এরপর থেকেই সে প্রাক্তন স্ত্রীকে দায়ী করে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে।
পুলিশ জানায়, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রাক্তন স্ত্রীর ঠিকানা জোগাড় করে দুই মাস আগে হায়দরাবাদে এসে একটি হোস্টেলে থাকতে শুরু করে অভিযুক্ত। বুধবার সে একটি ব্যাগে দুটি ছুরি, একটি ড্রিল মেশিন এবং পাঁচ লিটার পেট্রোল নিয়ে প্রাক্তন স্ত্রীর ফ্ল্যাটে ঢোকে। জোর করে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং তরুণীকে মাথায় একাধিকবার ছুরি মেরে খুন করে বলে অভিযোগ।
ঘটনার সময় বাড়িতে শাশুড়ি বারান্দায় ছিলেন। পরিবারের লোকজন পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে ঘরের ভিতর থেকে আটক করে। জানা গিয়েছে, সে ঘরের চারপাশে পেট্রোল ঢেলে টয়লেটে লুকিয়ে ছিল। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
