ওই মামলায় আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, নির্যাতিতা একা থাকার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকি নিজের বাড়ি নিয়ে যান এবং নির্যাতিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সঙ্গমের চেষ্টা করে। পরে ওই ব্যক্তি ধর্ষণ এবং অন্যায় ভাবে আটকে রাখার জন্য সাত বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়া হয়।
advertisement
আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে অভিযুক্তের আইনজীবী যুক্তি দেন মেডিক্যাল রিপোর্টে দেখা গিয়েছে নির্যাতিতার সতীচ্ছদ অক্ষত রয়েছে। সেই সঙ্গে আসামীর যুক্তি ছিল নির্যাতিতার যোনিতে পুরুষাঙ্গ ছোঁয়ালেও তা ভিতরে প্রবেশ করাননি।
আরও পড়ুন: প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ছুরি দিয়ে নিজের পেটই কেটে ফেললেন মহিলা, বেরিয়ে এল অন্ত্র
হাই কোর্ট অভিযুক্তকে ধর্ষণের চেষ্টার জন্য দোষী সাব্যস্ত করে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে আদালতের ধর্ষণ নিয়ে এই ব্যাখ্যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে সব মহলেই।
