মন্ত্রকের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, এলপিজি গ্রাহকদের আধার ভিত্তিক বায়োমেট্রিক যাচাই (e-KYC) সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং খুবই সহজ। স্মার্টফোনের মাধ্যমেই কয়েক মিনিটের মধ্যে গ্রাহকরা এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
অনেক হয়েছে, এবার কি যুদ্ধের ইতি? ‘খুবই মরিয়া হয়ে…’ ইরানের সঙ্গে আলোচনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের!
advertisement
যদিও এই ব্যবস্থা আগেই চালু ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে এলপিজি সরবরাহে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভুয়ো বা একাধিক সংযোগ ব্যবহার করে কালোবাজারি রুখতেই এই ব্যবস্থার উপর আবারও জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের উপর চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন।
গ্যাসের জোগান প্রায় বন্ধ! ডেকার্স লেন থেকে নামী রেস্তোরাঁ, কলকাতাতেও ঝাঁপ বন্ধের আশঙ্কা
মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে অথবা তেল বিপণন সংস্থার মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকরা e-KYC সম্পন্ন করতে পারবেন। এজন্য আধার ফেস অথেনটিকেশন বা বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সরকারের দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে এলপিজি সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়া আরও সহজ হবে এবং কালোবাজারি বা ভুয়ো বুকিংয়ের মতো সমস্যাও অনেকটাই কমবে।
ইতিমধ্যেই তেল ও গ্যাসের জোগান কমার পরিস্থিতিতে ভারত সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন জানিয়েছে হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া। সংস্থার প্রেসিডেন্ট সুদেশ পোদ্দার জানান, তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে অন্তত কিছুটা হলেও গ্যাসের সরবরাহ বজায় রাখা হয়। তাঁর কথায়, “আমরা ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছি যাতে কিছু কিছু সাপ্লাই বজায় থাকে। গতকাল পর্যন্ত সাপ্লাই স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু আজ অনেকটাই কমে গিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, তেল কোম্পানিগুলির তরফে জানানো হয়েছে যে আগামীকাল থেকে হয়তো আর নতুন করে সাপ্লাই আসবে না। ফলে বর্তমানে যার কাছে যতটা স্টক রয়েছে, তা দিয়েই কাজ চালাতে হবে। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চললে হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা মারাত্মক সমস্যায় পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
