বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসূখ মাণ্ডব্যর লাগাতার আলোচনার ফলশ্রুতি এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে৷ সম্প্রতি ব্লিঙ্কিট, জেপ্টো, জোম্যাটো এবং সুইগির মতো সংস্থাগুলির সঙ্গে একটি বৈঠক করেছিলেন মন্ত্রী৷ সেখানেই টাইমলাইন সংক্রান্ত বিষয় থাকলে গিগ কর্মীদের কী কী সমস্যার মুখে পড়তে হয়, তা তুলে ধরা হয়৷
advertisement
কেন্দ্রের সেই নির্দেশকে মান্যতা দিয়েই নিজের ব্র্যান্ড থেকে ‘১০ মিনিট ডেলিভারি’র কথাটি তুলে দেয়৷ অন্য ই-কর্মাস সংস্থাগুলিও দ্রুতই সেই পথে হাঁটবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল গিগ কর্মীদের জন্য নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং উন্নত কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করা।
সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও গিগ কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছিল৷ আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা যুক্তি দিয়েছিলেন, ১০ মিনিটের সময়সীমা শ্রমিকদের অবাস্তব লক্ষ্য অর্জনের জন্য রাস্তায় ঝুঁকি নিতে বাধ্য করে। তিনি সংসদকে এই অতি দ্রুত ডেলিভারির মানবিক মূল্য বিবেচনা করার আহ্বান জানান। কেন্দ্রের এই নির্দেশের পরে এ বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন আপ সাংসদ৷
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্প্রতি চারটি শ্রম কোডের খসড়া নিয়ম প্রকাশ করেছে, যা ন্যূনতম মজুরি, স্বাস্থ্য, পেশাগত সুরক্ষা এবং সামাজিক সুরক্ষা কভারেজের মতো বিভিন্ন সুবিধার জন্য গিগ কর্মীদেরও অন্তর্ভুক্ত করে।
খসড়া নিয়ম অনুসারে, সামাজিক সুরক্ষা পাওয়ার জন্য একজন গিগ কর্মীকে একটি আর্থিক বছরে কমপক্ষে ৯০ দিন একটি সংস্থার হয়ে কাজ করতে হবে৷ ওই গিগ কর্মী যদি একাধিক অ্যাগ্রিগেটরের সাথে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তা ১২০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
