তিনি বলেন, বংশ পরম্পরায় চলে আসা ‘জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব’-এর ধারণা বশত তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মহিলাদের নিশানা করে৷ বারাইয়ার মতে, কিছু ‘উঁচু জাতের মানুষ’ মনে করেন এমনটা করলে তাঁদের ‘পুণ্য’ হয়৷
আরও পড়ুন: বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, লখনউ ছুঁয়ে দিল্লি! হাওড়া পেল দিল্লি যাওয়ার দারুণ ট্রেন
advertisement
ভাণ্ডারের বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘‘ভারতে কারা ধর্ষণের শিকার হন? বিশেষ করে তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মহিলারা৷ ধর্ষণের পিছনে থিওড়ি হচ্ছে, কোনও পুরুষ, সে যেমন অবস্থাতেই থাকুন না কেন, পথেঘাটে চলার সময় কোনও সুন্দরী মহিলাকে দেখলে , তাঁর চিত্তাচাঞ্চল্য ঘটে এবং মহিলাকে ধর্ষণের শিকার হতে হয়৷’’
ভাণ্ডারের বিধায়ক আরও দাবি করেছেন যে ধর্ষণ প্রায়শই ব্যক্তিদের চেয়ে গোষ্ঠী দ্বারা সংঘটিত হয় এবং আশ্চর্যজনকভাবে শিশুদের সাথে জড়িত ঘটনাও জাতিগত ভাবে চলে আসা পুরনো ধ্যান-ধারণা ও বিশ্বাসের লক্ষণ৷
যদিও বারাইয়ার এই মন্তব্যের পরেই নেতার থেক দূরত্ব বজায় রেখেছে তাঁর দল কংগ্রেস৷ মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জিতু পাতওয়ারি বলেন, “কোনও ধর্ষণের পিছনেই কোনও কারণকে কোনওভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না। যে ধর্ষণ করে সে অপরাধী। একে জাতি বা ধর্মের সাথে যুক্ত করা যাবে না।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন যে যৌন সহিংসতা একটি গুরুতর অপরাধ এবং এটিকে যুক্তিসঙ্গত করার যে কোনও প্রচেষ্টা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়৷ কংগ্রেস বিধায়কের মন্তব্যের পর বিজেপি তার তীব্র সমালোচনা করে এবং এই বক্তব্যকে “লজ্জাজনক এবং মর্মান্তিক” বলে অভিহিত করে।
বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা রাহুল গান্ধির সঙ্গে বারাইয়ার ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, “যে কংগ্রেস বিধায়ক নারী এবং তফশিলি জাতি, উপজাতির মহিলাদের বিষয়ে ঘৃণ্য মন্তব্য করেন, তিনি রাহুল গান্ধির পাশে দাঁড়িয়ে।”
