অরুণাচল-অসম সীমান্তের কাছে রয়েছে এই শিবির। আইজিপি (ল’ অ্যান্ড অর্ডার) অখিলেশ কুমার সিং জানান, পুলিশ পোস্টটিতে অত্যাধুনিক রকেট-চালিত গ্রেনেড বা আরপিজি দিয়ে হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “একটি গ্রেনেড পুলিশ পোস্টের জানালা দিয়ে ভিতরে ঢুকে ঘরের মধ্যে বিস্ফারিত হয়। বিস্ফোরণে চারজন পুলিশ কর্মী আহত হন। আগুনে দগ্ধ একজন কর্মী। চারজনই বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।” সূত্রের খবর, অন্তত পাঁচটি গ্রেনেড শিবির লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে।
advertisement
রবিবার পরবর্তীতে পরেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম বা আলফা (আই) এই হামলার দায় স্বীকার করে। এক বিবৃতিতে নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনটি দাবি করে, তাদের সদস্যদের বিরুদ্ধে “বারবার অভিযান” চালানোর প্রতিক্রিয়াতেই এই হামলা করা হয়েছে।
আইজিপি সিং জানান, যে পোস্টটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল, সেটি কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। তিনি বলেন, “রাত প্রায় ২টা ১৫ মিনিট নাগাদ এই হামলা হয়। সেখানে একটি সেন্ট্রি আউটপোস্ট রয়েছে, তবে চারদিকই জঙ্গলে ঘেরা এবং এলাকায় খুব বেশি মানুষজনের বসবাস নেই। নিরাপত্তারক্ষীরা পাল্টা জবাব দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।”
বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক কয়েক সপ্তাহ আগেই এই হামলা। এবারই প্রথম রাজ্যে এক দফায় নির্বাচন হতে চলেছে। নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) চেয়েছে, যার মধ্যে ইতিমধ্যেই ২০০ কোম্পানি রাজ্যে পৌঁছে গেছে। সিং বলেন, “আগামী দিনে আরও বাহিনী আসবে এবং এই ঘটনার পর আমরা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করব।”
