যারা জঙ্গিদের হত্যা করেছিল তাদের মধ্যে ছিলেন রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ) এবং বিশেষ বাহিনী। অভিযানে নিহত হন জইশ জঙ্গি সইফুল্লাহ, যে গত দু’ বছর ধরে এই অঞ্চলে পলাতক ছিল এবং কমপক্ষে ২০ বার সেনা-নিশানা থেকে পালিয়েছিল।
নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে দুটি AK-47 রাইফেল, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সেনাবাহিনী সূত্রে জানানো হয়েছে, জঙ্গিরা দীর্ঘ দিন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লুকোচুরি খেলছিল। কিন্তু টাইসন সময়মতো তাদের আস্তানা শনাক্ত করার ফলে তাদের নিধন করা সম্ভব হয়।
advertisement
তিন জইশ জঙ্গির মৃত্যুর পর এলাকার বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। আহত সারমেয় টাইসনকে চিকিৎসার জন্য বিমানে তোলা হয় এবং বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। টাইসনের সাহসিকতা আবারও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে প্রশিক্ষিত সেনা কুকুরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা মনে করিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন : ঘেউ ঘেউ শুনে পোষ্যকে মারধর! বিয়ের মাঝপথেই যা করলেন কনে! চলে এল পুলিশ! উত্তরপ্রদেশের ঘটনায় চাঞ্চল্য
২০২৪ সালের অক্টোবরে একই ধরনের এক অভিযানে, ফ্যান্টম নামে এক সারমেয়, যে বেলজিয়ামের ম্যালিনয়েস ছিলেন, জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় তার হ্যান্ডলার এবং সহকর্মী সৈন্যদের রক্ষা করতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিল। তার আত্মত্যাগ নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘটনাস্থলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের নির্মূল করতে সাহায্য করেছিল।
প্রসঙ্গত জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ত্রাশি-১ অভিযানে কিশতওয়ার, ছতরু, দোলগাঁও-সহ একাধিক দুর্গম পার্বত্য এলাকায় লাগাতার নিশ্ছিদ্র তল্লাশি চলছে।
